ব্রাজিলের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলে প্রবল বর্ষণের ফলে সৃষ্ট বন্যা ও ভূমিধ্বসে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫০। জরুরি কর্মীরা ধ্বংসাবশেষের মধ্যে অনুসন্ধান কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছেন।
জরুরি কর্মকর্তা ভিলাস বোস নিউজ সাইট জি-১ কে বলেছেন, ‘যত বেশি সময় যাবে, বেঁচে থাকা লোকদের খুঁজে পাওয়ার সম্ভাবনা ততো কমবে। তবে আমরা সবসময় এটি মাথায় রেখে কাজ করি। ধ্বংসস্তূপের নিচে সব সময় বাতাসের পকেট থাকতে পারে।’
সাও পাওলো রাজ্য সরকারের মতে, দুর্যোগের পরেও কয়েক ডজন মানুষ নিখোঁজ রয়েছে।
গত সপ্তাহের শেষ দিকে রেকর্ড ঝড় সাও সেবাস্তিয়াওর মনোরম সমুদ্র সৈকত রিসোর্ট শহর এবং আশ পাশের অঞ্চলে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে পুরো ফেব্রুয়ারির চেয়ে বেশি বৃষ্টিপাত হয়েছে। এতে ভয়ংকর বন্যা এবং ভূমিধ্বসের সূত্রপাত করেছে যা ঝুঁকিপূর্ণভাবে নির্মিত পাহাড়ি সম্প্রদায়ের বসতি ছিন্নভিন্ন করে দেয়।
সাও পাওলোর গভর্নর টারসিসিও ডি ফ্রেইতাস স্বীকার করেছেন, সরকারি আবহাওয়া সতর্কতা ব্যবস্থা ট্র্যাজেডি এড়াতে ব্যর্থ হয়েছে।
তিনি বলেন, ‘আমরা টেক্সট বার্তার মাধ্যমে ২৬ মিলিয়ন সতর্ক বার্তা পাঠিয়েছি, কিন্তু আমরা দেখেছি, এটি কার্যকর ছিলো না। আগামী বর্ষা মৌসুমে উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় লোকজনকে সতর্ক করার জন্য সাইরেন থাকবে।’
আরও পড়ুন: ডেঙ্গু, পেরুতে জরুরি অবস্থা ঘোষণা
ব্রাজিলের ২১৫ মিলিয়ন লোকের মধ্যে আনুমানিক ৯৫ মিলিয়ন মানুষ বন্যা বা ভূমিধ্বসের উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় বাস করে প্রধানত দরিদ্র ফাভেলা পাড়া।
দক্ষিণ আমেরিকার দেশটি সাম্প্রতিক বছরগুলিতে বেশ কয়েকটি মারাত্মক আবহাওয়া বিপর্যয়ের শিকার হয়েছে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে এটি আরো খারাপ হচ্ছে।
একাত্তর/আরএ