ইউক্রেনের আটটি অঞ্চলে রুশ গোলাবর্ষণে অন্তত ১৬ জন বেসামরিক ইউক্রেনীয় নিহত হয়েছে। এমন দাবি ইউক্রেনের। পশ্চিমা অস্ত্র না পেলে কিয়েভ পাল্টা হামলা চালাবে না বলে জানিয়েছেন ইউক্রেনীয় প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি।
এদিকে, রাশিয়াকে মোকাবেলায় বিমান প্রতিরক্ষা জোট গঠন করছে সুইডেন, নরওয়ে, ফিনল্যান্ড এবং ডেনমার্ক।
ইউক্রেনে রাতভর ব্যাপক গোলা হামলা চালিয়েছে রাশিয়া। মর্টার, ট্যাংক, আর্টিলারি দিয়ে এসব আক্রমণ করেছে রুশ বাহিনী। বিবৃতি দিয়ে এই তথ্য জানিয়েছে ইউক্রেন।
এটাই রাশিয়ার সবশেষ বড় ধরণের হামলা। চীনা প্রেসিডেন্টের রাশিয়া সফর শেষ হবার সাথে সাথেই হামলার মাত্রা বেড়েছে রুশ বাহিনীর।
ইউক্রেনের সীমান্তবর্তী অনেক জায়গায় সামনের দিনে আরো জোরালো অভিযানের ছক কষছে রাশিয়া। আরও চার লাখ সেনাকে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ দিচ্ছে মস্কো।
সেই সঙ্গে বেলারুশে কৌশলগত পরমাণু অস্ত্র মোতায়েনের ঘোষণা দিয়েছেন রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। তার এমন রণ পরিকল্পনা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে ক্রেমলিনের অনেকেই।
আর মার্কিন কর্মকর্তারা বলছেন, ইউক্রেনে লড়াইয়ের জন্য আরও চার লাখ সেনা চুক্তির বিষয়টি অবাস্তব। এই সংখ্যা ২০২২ সালের রাশিয়ার মোট পেশাদার সেনার সংখ্যার প্রায় সমান।
এদিকে, রাশিয়ার হুমকি মোকাবিলার লক্ষ্যে একটি ঐক্যবদ্ধ নর্ডিক বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা তৈরি করতে যাচ্ছে সুইডেন, নরওয়ে, ফিনল্যান্ড এবং ডেনমার্ক।
নর্ডিক অঞ্চলের এ চার দেশের বিমান বাহিনীর কমান্ডাররা ইতোমধ্যে এই বিষয়ে একটি চিঠিতে সই করেছেন। শিগগিরই এনিয়ে কাজ শুরুর ঘোষণাও দিয়েছের চার নর্ডিক দেশ।
এদিকে অবিলম্বে যুদ্ধ শেষ করতে পুতিনের প্রতি আবারও আহ্বান জানিয়েছেন তুর্কি প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ান। যুদ্ধ বন্ধের প্রয়োজনীয়তাও তুলে ধরেছেন তিনি।
আঙ্কারা এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, তুরস্ক আলোচনার মাধ্যমে রাশিয়া-ইউক্রেন সংঘাতের অবসান চায়। এর গুরুত্ব পুতিনের কাছে তুলে ধরেছেন প্রেসিডেন্ট এরদোয়ান।
আরও পড়ুন: মিসিসিপিতে নিহত বেড়ে ২৬, জরুরি অবস্থা ঘোষণা
বিবৃতিতে আরো বলা হয়েছে, তুরস্ক ও রাশিয়ার সম্পর্ক আরো মজবুতে আলোচনা করেছেন এরদোয়ান-পুতিন। আলোচনা চলছে শস্য রপ্তানি নিয়েও। তাতে কমবে বিশ্বের খাদ্য সংকটও।
একাত্তর/আরএ