ইউক্রেন যুদ্ধ শুরুর পর থেকেই পুতিনের অন্যতম ভরসার যায়গা হয়ে উঠেছিল ভাড়াটে সেনাদল ওয়াগনার গ্রুপ। ইউক্রেনের বাখমুতসহ বেশ কয়েকটি অঞ্চলে যুদ্ধের নেতৃত্বেও দিয়েছে ইয়েভজেনি প্রিগোজিনের এ বাহিনী। কিন্তু গেলো মাসে রাশিয়ার বিরুদ্ধে ওয়াগনার গ্রুপের প্রকাশ্য বিদ্রোহ বদলে দিয়েছে অনেক সমীকরণ। তবে ইউক্রেন যুদ্ধে এর কোনো প্রভাব পড়েনি বলে মনে করেন রাশিয়ার প্রতিরক্ষামন্ত্রী।
ওয়াগনার গ্রুপের বিদ্রোহ অবসানের পর সোমবার প্রথমবারের মতো এ বিষয়ে মুখ খুললেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী সের্গেই শোইগু। খবর আল-জাজিরা'র।
সের্গেই শোইগু বলেন, গত মাসে ওয়াগনার গ্রুপের বিদ্রোহ ইউক্রেন যুদ্ধের ওপর কোনো প্রভাব ফেলেনি।
এই অভিযানকে দেশকে অস্থিতিশীল করার একটি প্রচেষ্টা বলে অভিহিত করে তিনি বলেন, এই পরিকল্পনাগুলো প্রাথমিকভাবে ব্যর্থ হয়েছে, কারণ সশস্ত্র বাহিনীর কর্মীরা তাদের শপথ এবং সামরিক দায়িত্বের প্রতি আনুগত্য দেখিয়েছে।
তিনি আরও বলেন, কোনো ধরণের উস্কানি সেনাদের প্রভাবিত করেনি। তারা সাহসিকতার সাথে এবং নিঃস্বার্থভাবে তাদের অর্পিত কাজগুলো করার চেষ্টা করেছে।
বিদ্রোহের দিন রাশিয়ার রোস্তভ-অন-ডন শহরে ওয়াগনার যোদ্ধারা
এর আগে ২৪ জুন, ওয়াগনার বিদ্রোহের পর একাধিক গণমাধ্যম জানিয়েছিল, রাশিয়ার প্রতিরক্ষামন্ত্রী সের্গেই শোইগু ও সেনা প্রধান গেরাসিমভ পদত্যাগ দাবি করেছেন ওয়াগনার প্রধান ইয়েভজেনি প্রিগোজিন। তবে এমন খবরের সত্যতা যাচাই করা সম্ভব হয়নি।
আরও পড়ুন: নিউজিল্যান্ডে কাঁচা বাজারে নিষিদ্ধ হলো প্লাস্টিক ব্যাগ
রুশ গণমাধ্যম বলছে, প্রিগোজিন বর্তমানে বেলারুশে অবস্থান করছেন। দেশটির প্রেসিডেন্ট আলেকজান্ডার লুকাশেঙ্কোর মধ্যস্থতায় ওয়াগনার বিদ্রোহের অবসান হয়। তবে প্রিগোজিন এবং তার সাথে থাকা ওয়াগনার সেনাদের বিষয়ে নিশ্চিত করে কিছু জানা যায়নি।
একাত্তর/আরবিএস