পশ্চিমবঙ্গের উত্তর ২৪ পরগনার হাড়োয়ায় ভোট পরবর্তী সহিংসতার জেরে শেখ সাহেব আলি নামে এক তৃণমূল নেতাকে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে। সামলার পঞ্চায়েত সদস্য ছিলেন তিনি।
শনিবার রাতে হাড়োয়ার খাসবালান্ডা গ্রাম পঞ্চায়েতের সামলা বাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। খবর আনন্দবাজার ও হিন্দুস্তান টাইমসের।
পরিবার ও স্থানীয়দের অভিযোগ, রাজনৈতিক কারণেই তৃণমূলের অপর একটি পক্ষ এ হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, রাতে বাড়ি ফেরার সময় তার পথ আটকে দাঁড়ায় পাঁচ থেকে সাতজন দুষ্কৃতকারী। এসময় তাকে লক্ষ্য করে আট থেকে দশ রাউন্ড গুলি ছোড়া হয়। বুক, পিঠ এবং মাথায় গুলিবিদ্ধ হয়ে ঘটনাস্থলেই সাহেব আলির মৃত্যু হয়।
হত্যার প্রতিবাদে বিক্ষোভ দেখান স্থানীয় বাসিন্দারা। বিক্ষোভ চলে রাত আড়াইটা পর্যন্ত। উত্তপ্ত হয়ে ওঠে বসিরহাটের হাড়োয়া থানার খাসবালান্দা গ্রাম পঞ্চায়েতের সামলা এলাকা। বিক্ষোভ সামলাতে রাতেই এলাকায় বিশেষ বাহিনী র্যাফ নামায় পুলিশ।
পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক হলে রাতেই রাস্তা থেকে সাহেব আলির মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠায় পুলিশ। প্রথমে হাড়োয়া গ্রামীণ হাসপাতাল এবং পরে মরদেহ পাঠানো হয় বসিরহাট জেলা হাসপাতালে।
আরও পড়ুন: ভারতে বাসচাপায় একই পরিবারের সাতজন নিহত
পুলিশ জানিয়েছে, শেখ সাহেব আলি মোটরসাইকেলে করে ফেরার সময় একদল লোক হামলা চালায়। তার গায়ে এবং মোটরবাইকে গুলি লাগে।
প্রাথমিক তদন্তে পুলিশের অনুমান, রাজনৈতিক কারণেই এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। তবে হত্যার সঠিক কারণ এখনও জানা যায়নি।
দোষীদের গ্রেপ্তারে হাড়োয়াজুড়ে পুলিশি অভিযান চলছে।
একাত্তর/আরবিএস