ভারতের পশ্চিমবঙ্গের বীরভূম জেলার মন্দিরনগরী তারাপীঠে একটি হোটেলে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে অন্তত আটজন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও অনেকে। হতাহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
সোমবার (১৭ আগস্ট) ভোর ৪টার দিকে তারাপীঠ থানা সংলগ্ন ‘বিদেশিনী’ হোটেলে এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।
পশ্চিমবঙ্গভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আনন্দবাজারের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আগুন লাগার সময় হোটেলে থাকা অধিকাংশ মানুষই ঘুমিয়েছিলেন। কিছু বুঝে ওঠার আগেই আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ায় অনেকেই কক্ষের ভেতর আটকা পড়েন।

এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত আটজনের মৃত্যু হয়েছে। নিহতদের সবাই পুণ্যার্থী। তাদের মধ্যে দুজন শিশু, একজন নারী ও পাঁচজন পুরুষ। তারা পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন জেলা থেকে শ্রাবণ মাসের শেষ সোমবারের পূজা দিতে তারাপীঠে গিয়েছিলেন।
এরইমধ্যে আহতদের উদ্ধার করে রামপুরহাট সরকারি মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

ফায়ার সার্ভিসের প্রাথমিক ধারণা, শর্ট সার্কিট থেকেই আগুনের সূত্রপাত। তবে প্রকৃত কারণ জানতে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।
এদিকে গ্রেপ্তার হোটেল মালিক কল্যাণ পাল দাবি করেছেন, হোটেলে অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা ছিল এবং পেছনের দিকে বের হওয়ার দরজাও ছিল। আগুন লাগার পর হোটেলকর্মীরা দ্রুত বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেন। এতে হোটেল অন্ধকার হয়ে যাওয়ায় অনেকে পেছনের দরজা খুঁজে পাননি। তারা সামনের রিসেপশনের দিকে বের হওয়ার চেষ্টা করলে আগুনের মুখে পড়েন।
তবে আগুন লাগার সময় হোটেলের পেছনের দরজা বন্ধ ছিল বলে অভিযোগ করেছেন অনেকে।
ফায়ার সার্ভিস কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, হোটেলে অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা ছিল এবং নিয়ম অনুযায়ী দুটি সিঁড়িও রাখা হয়েছিল। তবে সিঁড়ির জানালা বন্ধ থাকায় ধোঁয়া বাইরে বের হতে পারেনি। এতে ধোঁয়ায় অসুস্থ হয়ে পড়েন অনেকে।
ভোররাতেই মৃদু ভূমিকম্পে কাঁপলো রাজধানী
দক্ষিণ কোরিয়ার সঙ্গে কমছে মার্কিন সামরিক মহড়া!