ফিলিস্তিনে প্রথমবারের মতো রাষ্ট্রদূত নিয়োগ দিলো সৌদি আরব। তাদের এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছে ফিলিস্তিন সরকার। বার্তাসংস্থা ওয়াফা জানিয়েছে, ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আব্বাসের কূটনৈতিক উপদেষ্টা মাজদি আল-খালিদি গত শনিবার জর্ডানে অনাবাসী দূত হিসেবে রাষ্ট্রদূত নায়েফ আল-সুদাইরির পরিচয়পত্রের একটি অনুলিপি হাতে পান।
এটি দুই দেশ ও দুই ভ্রাতৃপ্রতিম জনগণের মধ্যকার সম্পর্ক আরও জোরদার করতে অবদান রাখবে বলে আশা প্রকাশ করেন আল খালিদি। ফিলিস্তিনে রাষ্ট্রদূত নিয়োগের বিষয়টিকে 'গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ' হিসেবে অভিহিত করেছে সৌদি আরব। জর্ডানে নিযুক্ত বর্তমান সৌদি রাষ্ট্রদূত আল-সুদাইরি জেরুজালেমে কনসাল জেনারেল হিসেবেও দায়িত্ব পালন করবেন।
এমন এক সময়ে ফিলিস্তিনের জন্য রাষ্ট্রদূত নিয়োগ করলো সৌদি, যখন দেশটি ইসরাইলের সঙ্গে আনুষ্ঠানিকভাবে কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপনেরও চিন্তাভাবনা করছে। নতুন রাষ্ট্রদূত নিয়োগের ঘটনাকে অধিকৃত পশ্চিম তীরে সৌদির প্রতিনিধিত্বমূলক কার্যালয় স্থাপনের দিকে এক ধাপ অগ্রগতি বলে মনে করেন ফিলিস্তিনি বিশ্লেষকরা।
তবে মার্কিন, ইসরাইলি ও সৌদি কর্মকর্তারা বলেছেন, তেমন কোনো চুক্তিতে পৌঁছানো অবশ্য সহজ হবে না। অধিকৃত পশ্চিম তীরে ইসরাইলের অভিযান থেকে সৌদি আরবের পারমাণবিক কেন্দ্রের উন্নয়ন- এমন নানা ইস্যু রয়েছে, যা নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে তীব্র মতভেদ আছে।
আরও পড়ুন: নতুন সিরিয়া নির্মাণে নেতৃত্ব দিচ্ছে তরুণ প্রজন্ম
রিয়াদ বারবার বলে আসছে, যতক্ষণ ফিলিস্তিনের সঙ্গে সংঘাতের অবসান না হবে, ততক্ষণ ইসরাইলের সঙ্গে সম্পর্ক স্থাপন নয়। তবে সাম্প্রতিক সময়ে সম্পর্ক স্বাভাবিকীকরণে সৌদি আরবের শর্ত নিয়ে রিয়াদ ও ওয়াশিংটনের মধ্যে কয়েক দফা আলোচনা হয়েছে। আলোচনার বিষয়বস্তুর মধ্যে ছিল নিরাপত্তার নিশ্চয়তা ও বেসামরিক পারমাণবিক কর্মসূচিতে সহায়তা।
একাত্তর/এসজে