দখল করা চার অঞ্চল পুনর্গঠনের প্রতিশ্রুতি দিলেন পুতিন

ইউক্রেনের দোনেৎস্ক, লুহানস্ক, জাপোরিঝিয়া ও খেরসন অঞ্চলকে রুশ ফেডারেশনে অন্তর্ভুক্ত করার প্রথম বার্ষিকীতে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন বলেছেন, এক বছর আগে ইউক্রেনের চারটি অঞ্চলের কয়েক লাখ মানুষ সজ্ঞানে তাদের পিতৃভূমির (রাশিয়া) সাথে একীভূত হওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলো। 

যুদ্ধবিধ্বস্ত এসব অঞ্চলকে পুনর্গঠনের প্রতিশ্রুতি দিয়ে তিনি বলেন, এসব অঞ্চলে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, হাসপাতাল, আবাসিক ভবন, সড়ক, জাদুঘর এবং স্মৃতিস্তম্ভ পুনঃনির্মাণ ও পুনর্গঠন করা হবে। 

সংবাদমাধ্যম স্পুটনিক ও পার্সটুডের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, শনিবার ওই চার অঞ্চলকে রুশ ফেডারেশনে অন্তর্ভুক্ত করার প্রথম বার্ষিকীতে এক ভিডিও বার্তায় পুতিন এসব কথা বলেন।

রুশ প্রেসিডেন্ট বলেন, রুশ ভূখণ্ডে ওই চার অঞ্চলে যুক্ত হওয়া ছিলো একটি ‘সত্যিকারের ঐতিহাসিক ঘটনা।’ 

ইউক্রেনের দোনেৎস্ক, লুহানস্ক, জাপোরিঝিয়া ও খেরসন অঞ্চল। ইমেজ-আল জাজিরা।

পুতিন দাবি করেন, আন্তর্জাতিক রীতিনীতি মেনে এসব অঞ্চলে যে গণভোট হয়েছে, তাতে এসব অঞ্চলে অধিবাসী সজ্ঞানে স্বতঃস্ফূর্তভাবে রাশিয়ায় যুক্ত হওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

এর আগে ২০২২ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারি ইউক্রেনে বিশেষ সামরিক অভিযান শুরু করে রাশিয়া। অভিযান শুরুর ছয় মাসের মাথায় ইউক্রেনের দোনেৎস্ক, লুহানস্ক, জাপোরিঝিয়া ও খেরসন অঞ্চলের দখল নিতে সক্ষম হয় রুশ বাহিনী।

একই বছরের ৩০ সেপ্টেম্বর এক গণভোটের মাধ্যমে এসব অঞ্চলকে রাশিয়ায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়।

ওই গণভোটে ইউক্রেনপন্থি ও মস্কোপন্থি উভয় মতের সমর্থক প্রার্থীরা প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। কিন্তু শেষ পর্যন্ত জয়ী হন মস্কোপন্থি নেতারাই।

যদিও এই ভোটাভুটিকে অবৈধ ও জবরদস্তিমূলক হিসেবে আখ্যায়িত করে আসছে কিয়েভ ও তার পশ্চিমা মিত্ররা।