ইসরাইলের সমর্থনে যুদ্ধজাহাজ পাঠাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র

ফিলিস্তিনের স্বাধীনতাকামী সশস্ত্র সংগঠন হামাসের বিরুদ্ধে চলমান যুদ্ধে ইসরাইলকে ‘অতিরিক্ত সহায়তা’ দেয়ার কথা আগেই জানিয়েছিল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। এবার ইসরাইলের সমর্থনে পূর্ব ভূমধ্যসাগরে যুদ্ধজাহাজ ও যুদ্ধবিমান পাঠানোর ঘোষণা দিয়েছে ওয়াশিংটন।

রোববার হামাসের বিরুদ্ধে ইসরাইলের আনুষ্ঠানিক যুদ্ধ ঘোষণার পর মার্কিন প্রতিরক্ষা বিভাগ এক বিবৃতিতে সামরিক সহায়তা দেয়ার কথা নিশ্চিত করেছে। খবর বিবিসির।  

মার্কিন প্রতিরক্ষা সচিব লয়েড অস্টিন বলেছেন, ইউএসএস জেরাল্ড আর ফোর্ড বিমানবাহী যুদ্ধজাহাজ, একটি ক্ষেপণাস্ত্র ক্রুজার এবং চারটি ক্ষেপণাস্ত্র বিধ্বংসী ব্যবস্থা ইসরাইল উপকূলের দিকে যাত্রা শুরু করেছে। 

মার্কিন প্রতিরক্ষা সচিব লয়েড অস্টিন। ইমেজ- বিবিস।

তিনি আরও বলেন, অতিরিক্ত সরঞ্জাম ও গোলাবারুদের পাশাপাশি ইসরাইলে মার্কিন যুদ্ধবিমানও পাঠানো হবে।  

হোয়াইট হাউস জানিয়েছে, বাইডেন সরকার আগামী দিনে দেশটিতে আরও সামরিক সহায়তা পাঠাবে। ইসরাইলের শত্রুরা যাতে এ পরিস্থিতি থেকে সুবিধা নিতে না পারে তা নিশ্চিত করতে কাজ করবে যুক্তরাষ্ট্র। 

এদিকে হামাসের হামলায় নিহত ও বন্দিদের মধ্যে কোনো মার্কিন নাগরিক রয়েছে কিনা যুক্তরাষ্ট্র তা যাচাইয়ের কাজ করছে বলে জানিয়েছেন দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিংকেন।

মার্কিন টেলিভিশনকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে ইরানের প্রসঙ্গ টেনে ব্লিঙ্কেন বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র সরাসরি ইরানের জড়িত থাকার প্রমাণ পায়নি, তবে ইরান বছরের পর বছর ধরে গাজাভিত্তিক গোষ্ঠীকে সহায়তা করে আসছে।

তিনি বলেন, ইরান হামাসকে বহু বছর ধরে সমর্থন দিয়ে আসছে। তাছাড়া হামাস ‘হামাস’ হয়ে উঠতো না। আমরা এখনও সরাসরি প্রমাণ পায়নি যে, ইরান এই বিশেষ হামলার পেছনে ছিলো বা জড়িত ছিলো। তবে বহু বছর ধরে তাদের সমর্থন স্পষ্ট। 

যদিও জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের বৈঠকে ইরান ইসরাইল হামলায় জড়িত থাকার কথা অস্বীকার করেছে বলে জানিয়েছে রয়টার্স।