হামাসের সঙ্গে ইসরাইলের চলমান সংঘাতের ষষ্ঠ দিনে মৃতের সংখ্যা ২৪০০ ছাড়িয়েছে। এর মধ্যে গাজায় ১১৫০ ও ইসরাইলের ১২০০ প্রাণহানির খবর নিশ্চিত করেছে কর্তৃপক্ষ। আল জাজিরার খবর।
চলমান সংঘাতের মধ্যেই মধ্যপ্রাচ্য ইস্যু নিয়ে আলোচনা করতে ইসরাইল সফরে গেছেন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিংকেন। তিনি ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আব্বাসের সঙ্গেও আলোচনা করবেন বলে জানা গেছে।
অনবরত হামলা আর পাল্টা হামলায় রণক্ষেত্রের ভয়াবহ রূপে পরিণত হয়েছে অধিকৃত গাজা উপত্যকা। যেদিকেই তাকানো যায় শুধুই ধ্বংসস্তুপ। ইসরাইলি বাহিনী সরাসরি স্থল অভিযানে নামার আগেই লণ্ডভণ্ড হয়ে গেছে ফিলিস্তিনিদের বসতি।
হামলায় দুই পক্ষেরই মানুষের হতাহতের সংখ্যা বাড়ছে সমান তালে। তেল আবিব গাজায় পানি, খাবার ও জ্বালানী সরবরাহের সবগুলো রুট বন্ধ করে দেয়ায় সেখানকার মানবিক সংকট চরমে পৌঁছেছে। জ্বালানির অভাবে তাদের একমাত্র বিদ্যুৎকেন্দ্র বন্ধ হয়ে গেছে। ফলে হাসপাতালে গিয়েও চিকিৎসা পাচ্ছেন না আহতরা। ওষুধসহ সব ধরণের চিকিৎসা সরঞ্জামেরও মারাত্মক ঘাটতি দেখা দিয়েছে।
এ অবস্থায় গাজায় খাদ্য, জ্বালানি এবং পানির মতো জীবন রক্ষাকারী প্রয়োজনীয় জিনিসের অবশ্যই প্রবেশ করার অনুমতি দিতে হবে বলে জানিয়েছে জাতিসংঘ।
এদিকে, শনিবারা হামাসের হামলার পর এখনো অনেক ইসরাইলি নিজেদের নিখোঁজ প্রিয়জনের সন্ধান পাননি।
গাজায় ইসরায়েলের অবরোধ ও বোমাবর্ষণের তীব্র নিন্দা করে এটিকে ‘গণহত্যা’ বলেছেন তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যেপ এরদোয়ান। চলমান অবরোধ এবং বিরামহীন ধ্বংসযজ্ঞ বন্ধে ইসরায়েলের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ান। তিনি বলেন, যুদ্ধেরও একধরনের নৈতিকতা রয়েছে। এ ধ্বংসযজ্ঞ যুদ্ধের নৈতিকতাবিরোধী।