ফিলিস্তিনের হামাস যোদ্ধারা গেলো ৭ অক্টোবর ইসরাইলি নারীদের ধর্ষণ ও যৌন নিপীড়ন করছে বলে যে অভিযোগ উঠেছিল, তা অস্বীকার করে একটি খোলা চিঠিতে স্বাক্ষর করেছেন কানাডার ইউনিভার্সিটি অফ আলবার্টার যৌন নিপীড়ন কেন্দ্রের পরিচালক সামান্থা পিয়ারসন। এর পরপরই সামান্থাকে পরিচালকের পদ থেকে অপসারণ করেছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।
শনিবার এক বিবৃতিতে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ জানায়, সামান্থাকে তার পদ থেকে অপসারণ করে যৌন নিপীড়ন কেন্দ্রের জন্য একজন নতুন পরিচালক নিয়োগ দেয়া হয়েছে। খবর দ্য জেরুজালেম পোস্টের।
এর আগে সামান্থা পিয়ারসন 'ফিলিস্তিনের পক্ষে দাঁড়ান: গণহত্যা বন্ধে রাজনৈতিক নেতাদের আহবান' শিরোনামের একটি চিঠিতে সই করেন। চিঠিতে গাজায় ইসরাইলি গণহত্যা বন্ধের আহবান জানানো হয়েছে।
৭ অক্টোবর হামাস ইসরাইলে যৌন সহিংসতা চালিয়েছে -এমন অপ্রমাণিত অভিযোগ পুনরাবৃত্তি করার জন্য সেন্টার লেফট নিউ ডেমোক্রেটিক পার্টির নেতা জগমিত সিং এর নিন্দা করা হয়েছে ওই চিঠিতে।
চিঠিতে ইসরাইলি দখলদারিত্বকে 'সন্ত্রাসী' হিসাবে স্বীকৃতি দিতে ব্যর্থ হওয়ার জন্য দেশটির আইন প্রণেতাদের নিন্দা জানিয়ে বলা হয়েছে, তারা 'ইসলামোফোবিয়াকে চিরস্থায়ী করেছে।'
তবে এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয় প্রেসিডেন্ট এবং ভাইস-চ্যান্সেলর বিল ফ্লানাগান বলেছেন, একটি খোলা চিঠিতে ইউনিভার্সিটি অফ আলবার্টার যৌন নিপীড়ন কেন্দ্রের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। এই অননুমোদিত চিঠির ফলে আমাদের সদস্য এবং জনসাধারণের মাঝে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, আমি স্পষ্ট করে বলতে চাই, কারো ব্যক্তিগত মতামত কোনোভাবেই আলবার্টা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিনিধিত্ব করে না।
এর আগে গেলো ৭ অক্টোবর ইসরাইলে এই দশকের সবচেয়ে বড় অভিযান চালায় গাজার হামাস সরকার। এসময় হামাসের বিরুদ্ধে ইসরাইলি শিশুদের হত্যা ও নারীদের ধর্ষণ করা হয়েছে বলে অভিযোগ ওঠে। কিন্তু এখন পর্যন্ত এসবের কোনো প্রমাণ দিতে পারেনি ইসরাইল।
হামাস সরকার বলছে, দখলদার ইসরাইল গাজায় নিজেদের গণহত্যা আড়াল করতেই মিথ্যা সংবাদ প্রচার করছে।
সবশেষ হামাসের দ্বারা প্রায় ৪০ জন ইসরাইলি শিশু হত্যার খবরটি মিথ্যা বলে প্রমাণিত হয়েছে।