ইয়েমেনে আবারও যুক্তরাষ্ট্র-যুক্তরাজ্যের বিমান হামলা

ইয়েমেনে হুতি বিদ্রোহীদের লক্ষ্যবস্তুতে আবারও যৌথ বিমান হামলা চালিয়েছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং যুক্তরাজ্য। তবে এখন পর্যন্ত হতাহতের কোনো খবর পাওয়া যায়নি। 

ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি জানিয়েছে, সোমবার দেশটিতে এ নিয়ে অষ্টমবারের মতো হামলা চালালো যুক্তরাষ্ট্র। অন্যদিকে ১১ জানুয়ারির পর দ্বিতীয়বারের মতো যৌথ হামলায় অংশ নিলো যুক্তরাজ্য। 

মার্কিন প্রতিরক্ষা বিভাগের সদরদপ্তর পেন্টাগন জানিয়েছে, এদিন হুতিদের আটটি লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত করা হয়েছে। হুতিদের ভূগর্ভস্থ স্টোরেজ সাইট, ক্ষেপণাস্ত্র এবং নজরদারি সক্ষমতা লক্ষ্য করে এসব হামলা চালানো হয়। 

এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, লোহিত সাগর দিয়ে 'বাণিজ্যের অবাধ প্রবাহ' রক্ষা করতেই এ হামলা চালানো হয়েছে। 

দেশ দু'টি আরও জানায়, আমাদের লক্ষ্য, লোহিত সাগরে উত্তেজনা হ্রাস করা এবং স্থিতিশীলতা পুনরুদ্ধার করা। হুতি নেতৃত্বের প্রতি আমাদের সতর্কতা পুনর্ব্যক্ত করি। আমরা বিশ্বের অন্যতম একটি অঞ্চলে জীবন এবং বাণিজ্যের অবাধ প্রবাহ রক্ষা করতে দ্বিধা করব না। ক্রমাগত হুমকির মুখে রয়েছে এ গুরুত্বপূর্ণ জলপথ।

অস্ট্রেলিয়া, বাহরাইন, কানাডা এবং নেদারল্যান্ডস এ হামলায় সমর্থন দিয়েছে বলেও দাবি করেছে যুক্তরাষ্ট্র।  

গেলো অক্টোবর মাসের ৭ তারিখে ইসরাইলে এই দশকের সবচেয়ে বড় সামরিক অভিযান চালায় গাজার হামাস সরকার। এর পরপরই গাজায় বিমান হামলা ও স্থল হামলা শুরু করে ইসরাইল। এ আগ্রাসনে ২৪ হাজারের বেশি ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন যাদের অধিকাংশই নারী ও শিশু।

গাজা উপত্যকায় ইসরাইলের বর্বর আগ্রাসন ও গণহত্যার প্রতিবাদে ইয়েমেনের হুতি বিদ্রোহী ও সামরিক বাহিনী লোহিত সাগরে ইসরাইলি জাহাজে হামলা শুরু করে। এক পর্যায়ে তারা ইসরাইল অভিমুখী যেকোনো দেশের জাহাজকে টার্গেট করার ঘোষণা দেয়। এর পরপরই হুতিদের লক্ষ্য করে হামলা শুরু করে যুক্তরাষ্ট্র।  

তবে হুতি মুখপাত্র মোহাম্মাদ আব্দুস সালাম বলেছেন, মার্কিন হামলা তাদেরকে ইসরাইলি মালিকানাধীন বা ইসরাইলগামী জাহাজে হামলা চালানো থেকে বিরত রাখতে পারবে না।