ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের বরাতে রোববার এ তথ্য নিশ্চিত করেছে কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা।
শুক্রবার আন্তর্জাতিক বিচার আদালত ইসরাইলকে গণহত্যা বন্ধের নির্দেশ দেয়ার পরও, গাজায় হামলা জোড়ালো করেছে তেল আবিব। ফলে যুদ্ধবিরতি অনেকটাই অনিশ্চিত হয়েছে পড়েছে।
শনিবার গাজাজুড়ে বোমা হামলা আরও তীব্র করেছে ইসরাইলের সেনাবাহিনী। বিশেষ করে গাজার দক্ষিণের শহর খান ইউনিসের হাসপাতালসহ বিভিন্ন অবকাঠামো লক্ষ্য করে ক্রমাগত বিমান হামলা চালানো হচ্ছে। খান ইউনিসে হামাস ও ইসরাইলি বাহিনীর মধ্যে তুমুল লড়াই চলছে। সেখানের নাসের হাসপাতাল এরইমধ্যে পুরোপুরি বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। এতে চরম বিপাকে পড়েছে রোগীরা।
এর আগে গেলো অক্টোবর মাসের ৭ তারিখে ইসরাইলে এই দশকের সবচেয়ে বড় সামরিক অভিযান চালায় গাজার হামাস সরকার। এর পরপরই গাজায় বিমান হামলা ও স্থল হামলা শুরু করে ইসরাইল।
এ আগ্রাসনে ২৬ হাজারের বেশি ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন যাদের অধিকাংশই নারী ও শিশু। এছাড়াও আহত ফিলিস্তিনির সংখ্যা পৌঁছেছে ৬৪ হাজার ৭শ ৯৭ জনে।
গাজায় যুদ্ধ বন্ধের আহবান জানিয়ে জাতিসংঘ বলছে, ইসরাইলি আক্রমণের ফলে গাজার জনসংখ্যার ৮৫ শতাংশ খাদ্য, বিশুদ্ধ পানি এবং ওষুধের তীব্র সংকটের মধ্যে অভ্যন্তরীণভাবে বাস্তুচ্যুত হয়েছে। ওই অঞ্চলের ৬০ শতাংশ অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত বা ধ্বংস হয়ে গেছে।
সংস্থাটি সতর্ক করে বলেছে, গাজার ২২ লাখ অধিবাসী দুর্ভিক্ষের ভয়াবহ ঝুঁকিতে রয়েছে। দ্রুত ত্রাণ পৌঁছাতে না পারলে বিশ্বকে জবাবদিহি করতে হবে।