দখলদার ইসরাইলে নতুন ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ‘ফিলিস্তিন’ দিয়ে হামলা চালিয়েছে ইয়েমেনের হুতি বিদ্রোহীরা। গাজা গণহত্যা শুরুর পর এই প্রথম এ ধরনের ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করলো ইরান সমর্থিত গোষ্ঠীটি।
আরব নিউজের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, স্থানীয় সময় সোমবার ইসরাইলের দক্ষিণের বন্দর শহর ইলাতে নতুন ক্ষেপণাস্ত্র এবং ড্রোন ব্যবহার করে হামলা চালায় ইয়েমেনিরা।
এক টেলিভিশন বিবৃতিতে দেশটির সশস্ত্র বাহিনীর মুখপাত্র ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ইয়াহিয়া সারি বলেন, 'ফিলিস্তিন' নামের নতুন ক্ষেপণাস্ত্র দিয়ে ইসরাইল অধিকৃত ইলাত বন্দরের একটি সামরিক স্থাপনায় হামলা চালানো হয়েছে। হামলার মূল লক্ষ্য অর্জিত হয়েছে।
এদিন ইয়েমেনি হামলা শুরুর পরপরই ইলাতে সাইরেন বাজিয়ে ইসরাইলিদের সতর্ক করা হয় এবং তাদের আশ্রয়কেন্দ্রে পাঠায় ইসরাইলি কর্তৃপক্ষ।
হামলার কথা স্বীকার করলেও তাতে কী পরিমাণ ক্ষয়ক্ষতি ও হতাহত হয়েছে তা জানায়নি ইসরাইল।
তবে হুতি সংশ্লিষ্টরা বলছেন, স্বীকার না করলেও এসব হামলায় ইসরাইলের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। ফিলিস্তিনের মানুষের প্রতি সমর্থন জনাতেই নতুন ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের নাম দেয়া হয়েছে ‘ফিলিস্তিন’।
এর আগে গেলো অক্টোবর মাসের ৭ তারিখে ইসরাইলে এই দশকের সবচেয়ে বড় সামরিক অভিযান চালায় গাজার হামাস সরকার। এর পরপরই গাজায় গণহত্যা শুরু করে ইসরাইল। এ আগ্রাসনে ৪০ হাজারের বেশি ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন যাদের অধিকাংশই নারী ও শিশু। আহত ৮০ হাজার ছাড়িয়েছে।
ইসরাইলের বর্বর আগ্রাসন ও গণহত্যার প্রতিবাদে ইয়েমেনের হুতি বিদ্রোহী ও সামরিক বাহিনী লোহিত সাগরে ইসরাইলি জাহাজে হামলা শুরু করে। এক পর্যায়ে তারা ইসরাইল অভিমুখী যেকোনো দেশের জাহাজকে টার্গেট করার ঘোষণা দেয়। পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্র ও পশ্চিমা দেশগুলোর জাহাজ ও ড্রোন লক্ষ্য করেও হামলা অব্যাহত রেখেছে ইয়েমেন।