'আফগানিস্তান নিয়ে চীনের আগ্রহ সুফল বয়ে আনতে পারে'

আফগানিস্তান নিয়ে চীনের আগ্রহের ব্যাপারে আশাবাদ প্রকাশ করেছেন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিনকেন। তিনি বলেছেন, আফগানিস্তানের বিষয়ে চীনের অংশগ্রহণ ভালো ফলাফল বয়ে আনতে পারে। 

বুধবার (২৮ জুলাই) তালেবান প্রতিনিধিদের চীন সফরের পর এ মন্তব্য করেন তিনি। 

অ্যান্টনি ব্লিনকেন বলেন, যদি আফগানিস্তানে সংঘাতের শান্তিপূর্ণ সমাধানের লক্ষ্য চীনের থেকে থাকে, তাহলে ভালো ফলাফল আসা সম্ভব। 

মঙ্গলবার (২৭ জুলাই) এক রাষ্ট্রীয় সফরে ভারতে পৌঁছান অ্যান্টনি ব্লিনকেন। সেখানে আফগানিস্তান-চীন বৈঠক নিয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি এ মন্তব্য করেন। 

এসময় শান্তিপূর্ণভাবে আলোচনার টেবিলে আসতে তালেবানকে আহ্বান জানান তিনি। 

বুধবার তালেবানের নয়জন প্রতিনিধি আফগানিস্তানে চলমান পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা করতে তিয়ানজিনে যান। 

আরও পড়ুন: উষ্ণ সম্পর্কের লক্ষ্যে চীন-তালেবান আলোচনা শুরু 

বৈঠকের পর তালেবানের একজন মুখপাত্র টুইটবার্তায় জানিয়েছেন, আফগানিস্তানে নিজেদের সাহায্য অব্যাহত রাখার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে চীন। এছাড়াও, দেশটিতে শান্তি পুনরুদ্ধার করতে গিয়ে তাদের কোন ব্যাপারে নাক গলাবে না এমনটাও আশ্বাস দিয়েছে চীন। 

অন্যদিকে, চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, তারা আফগানিস্তানের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে কোন প্রকার হস্তক্ষেপ করবে না। 

বিবৃতিতে তারা আরও বলে, আফগানিস্তান থেকে তাড়াহুড়ো করে মার্কিন এবং ন্যাটো সৈন্য প্রত্যাহার এটাই প্রমাণ করে যে, সেখানে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রনীতি ব্যর্থ হয়েছে। এই অবস্থায় আফগান জনগণের কাছে সুযোগ এসেছে নিজদের দেশকে স্থিতিশীল করে উন্নয়নের দিকে এগিয়ে যাওয়ার। 

আফগানিস্তানে মার্কিন সৈন্য প্রত্যাহার প্রায় শেষের দিকে। এই পরিস্থিতিতে দেশটিতে তালেবানদের উৎপাত নতুন করে মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছে। 

তবে, তালেবানের সাথে চীনের এই বৈঠকের মাধ্যমে জঙ্গি সংগঠনটিকে একটি আন্তর্জাতিক রাজনৈতিক শক্তি হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হচ্ছে বলে ধারণা করছেন অনেকে।  


একাত্তর/এসজে