বিশ্বের অন্যতম শীর্ষ ক্ষমতাধর দেশ যুক্তরাষ্ট্রের প্রশাসনের কেন্দ্রবিন্দু হোয়াইট হাউজে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্সের সঙ্গে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির তীব্র বাগবিতণ্ডার পর আমেরিকাজুড়ে ইউক্রেনপন্থি বিক্ষোভ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শনিবার (১ মার্চ) যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক, লস অ্যাঞ্জেলেস ও বোস্টনে শত শত মানুষ ইউক্রেনের প্রতি সমর্থন জানাতে সমবেত হন। এ সময় ওভাল অফিসে ঘটে যাওয়া তীব্র বাদানুবাদের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানান তারা। এসব বিক্ষোভের কারণে ভ্যান্সের পরিবার নির্ধারিত স্কি রিসোর্ট থেকে অজ্ঞাত স্থানে স্থানান্তরিত হয়।
ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, প্রতিবাদকারীরা ইউক্রেনপন্থী সাইনবোর্ড হাতে নিয়ে ভারমন্টের ওয়েইটসফিল্ড শহরের এক সড়কের পাশে অবস্থান নেন। ওই এলাকায় ভাইস-প্রেসিডেন্ট ভ্যান্স ও তার পরিবার স্কি ছুটিতে ছিলেন।
ভারমন্টের ওয়েটসফিল্ডের একটি সড়কের পাশে থাকা বিক্ষোভকারীদের হাতে দেখা গেছে ইউক্রেইনের সমর্থনে লেখা নানান স্লোগান, প্রতীক, তাও এমন এক সময়ে যখন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স এই রাজ্যটিতে পরিবার নিয়ে ছুটি কাটাতে এসেছিলেন।
হোয়াইট হাউজে জেলেনস্কির সঙ্গে ট্রাম্প ও ভ্যান্সের বৈঠকের আগেই ওয়েটসফিল্ডে এই বিক্ষোভের ডাক দেওয়া হয়েছিলো, যদিও শনিবারের কর্মসূচিতে থাকা প্ল্যাকার্ড, ব্যানারে ওভাল অফিসের বৈঠকের বিষয়ই বেশি অগ্রাধিকার পেয়েছে। বিক্ষোভকারীরা দাবি করেছেন, ভ্যান্সই সীমা অতিক্রম করেছিলেন।
এদিকে শনিবার যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন টেসলা স্টোরের বাইরে বিক্ষোভকারীরা অবস্থান ধর্মঘট পালন করেন। ইলন মাস্কের সরকারি ব্যয় কমানোর প্রচেষ্টার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানান তারা। টেসলার প্রধান নির্বাহী মাস্ককে ডোনাল্ড ট্রাম্প ‘ডিপার্টমেন্ট অব গভর্নমেন্ট ইফিসিয়েন্সি’ বা সংক্ষেপে ডিওজিই-এর তত্ত্বাবধায়কের দায়িত্ব দিয়েছেন।