রাশিয়ায় ৫০০ বছর পর জেগে উঠলো ঘুমন্ত আগ্নেয়গিরি

৫০০ বছরেরও বেশি সময় পর সুদূর পূর্ব রাশিয়ার একটি আগ্নেয়গিরি থেকে প্রথমবারের মতো অগ্ন্যুৎপাত হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, গেলো সপ্তাহের ভয়াবহ ভূমিকম্পের সঙ্গে এর সম্পর্ক থাকতে পারে। 

কামচাটকার ক্রাশেনিনিকভ আগ্নেয়গিরি থেকে ছয় কিলোমিটার উচ্চতায় ছাইয়ের কুণ্ডলী উড়ে গেছে। রাশিয়ার জরুরি মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, অগ্ন্যুৎপাতের ঘটনায় জনবহুল এলাকার জন্য কোন হুমকি নেই। 

ঘুমন্ত আগ্নেয়গিরি জেগে ওঠার কয়েক ঘণ্টা পরে, রাশিয়ায় আরেকটি বড় ভূমিকম্পের ফলে উপদ্বীপের তিনটি এলাকায় সুনামির সতর্কতা জারি করা হয়েছে।

উভয় ঘটনাই গত সপ্তাহে একই এলাকায় আঘাত হানা ৮.৮ মাত্রার একটি বিশাল ভূমিকম্পের সঙ্গে সম্পর্কিত হতে পারে; যার ফলে ফরাসি পলিনেশিয়া এবং চিলি পর্যন্ত সুনামির সতর্কতা জারি করা হয়েছিলো।

বুধবারের ভূমিকম্পের পর বেশ কয়েক সপ্তাহ ধরে শক্তিশালী পরাঘাত হতে পারে বলে সতর্ক করেছিলো রাশিয়ার বিশেষজ্ঞরা। সেদিনের ভূমিকম্পটি ছিলো যাবৎকালের সবচেয়ে শক্তিশালী ভূমিকম্পগুলোর একটি।

আর রোববারের ৭.০ মাত্রার ভূমিকম্পটি কুড়িল দ্বীপপুঞ্জে আঘাত হানে এবং ১৮ সেমি পর্যন্ত ঢেউয়ের সৃষ্টি করতে পারে বলে জানিয়েছে রাশিয়ার জরুরি মন্ত্রণালয়। 

এতে বলা হয়েছে, ঢেউয়ের উচ্চতা থাকা সত্ত্বেও কামচাটকার তিনটি এলাকার মানুষকে উপকূল থেকে দূরে সরে যেতে হবে। ক্রাশেনিনিকভের সবশেষ রেকর্ড করা অগ্ন্যুৎপাতটি ১৫ শতকে হয়েছিলো।

রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা আরআইএ অনুসারে, রুশ জরুরি মন্ত্রণালয়ের প্রধান ওলগা গিরিনা বলেছেন, এটি আগের ৮.৮ মাত্রার ভূমিকম্পের সাথে সম্পর্কিত হতে পারে।

কামচাটকা উপদ্বীপটি দূরবর্তী কিন্তু প্রশান্ত মহাসাগরীয় বলয়ে অবস্থিত, যা সেখানে প্রচুর সংখ্যক ভূমিকম্প এবং আগ্নেয়গিরির কারণে বেশ পরিচিত।