পাকিস্তানের উত্তরাঞ্চলের বিভিন্ন এলাকায় ভারী বৃষ্টি, হঠাৎ বন্যা ও ভূমিধসে মৃতের সংখ্যা বেড়েই চলেছে। এর মধ্যে বুনের এলাকায় প্রাণ হারিয়েছেন ২১৩ জনের বেশি মানুষ। প্রাদেশিক ও উদ্ধারকাজে নিয়োজিত কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, খাইবার পাখতুনখাওয়ায় ২০০ এবং গিলগিত বালতিস্তানে ১২ জনের মৃত্যু হয়েছে।
মৃতের সংখ্যা বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। বন্যা দুর্গত এলাকায় ৩১ আগস্ট পর্যন্ত জরুরি অবস্থা ঘোষণা করা হয়েছে। এছাড়া, বহু বাড়ি ভেসে গেছে এবং বিভিন্ন এলাকায় যোগাযোগব্যবস্থা বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে।
মোবাইল টাওয়ার ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় বন্যা কবলিত এলাকাগুলো যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। এদিকে সোয়াতে বিদ্যুৎ অবকাঠামো মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় গোটা অঞ্চল বিদ্যুৎবিহীন হয়ে পড়েছে।
মৃত্যু বাড়ছে আজাদ কাশ্মীরেও। সারলি গ্রামে একই পরিবারের ছয়জন মারা গেছেন। লারিয়া এলাকায় ছয়টি বাড়ি ধ্বংস হয়ে গেছে। ভেসে গেছে ৫০টি গবাদি পশু। জম্মু-কাশ্মীরে ২১ জনের মৃত্যুর তথ্য জেনেছেন তারা।
এদিকে, ভারত নিয়ন্ত্রিত জম্মু কাশ্মীরে এখন পর্যন্ত ১০ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে ১৫ থেকে ২০ জনকে। হাসপাতালে আছেন আহত ৫২জন।
এছাড়া মুম্বাইয়ে ভূমিধসে একই পরিবারের দুজন মারা গেছে। আহত হয়েছে আরো দুজন। প্রবল বৃষ্টিতে মুম্বাইয়ের পশ্চিমাঞ্চলের একটি আবাসিক এলাকায় ভূমিধস হয়েছে।