গিনিতে ক্যুয়ের পর প্রেসিডেন্টকে গ্রেপ্তার করে ক্ষমতা দখল করে নিয়েছে দেশটির বিশেষ বাহিনী। সেই সাথে সংবিধান ভেঙে দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে তারা।
সোমবার (৬ সেপ্টেম্বর) অনির্দিষ্টকালের জন্য কারফিউ ঘোষণা করে সাবেক প্রেসিডেন্টের মন্ত্রীপরিষদ সদস্য ও জ্যেষ্ঠ রাজনৈতিক নেতাদের সাথে বৈঠকের আহ্বান জানায় দেশটির নতুন সামরিক শাসকরা।
এক বিবৃতিতে তারা জানায়, বৈঠকে যোগদান করতে অস্বীকৃতি জানালে তা তাদের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ বলে বিবেচনা করা হবে।
বিশেষ বাহিনীর প্রধান লেফটেন্যান্ট কর্নেল মামাদি দুম্বুয়া এক টেলিভিশন বিবৃতিতে বলেন, সরকারের অব্যবস্থাপনা ও দুর্নীতির অবসান ঘটাতেই ক্যুয়ের সূত্রপাত হয়েছে।
এদিকে, বার্তা সংস্থা এএফপি'র কাছে পাঠানো এক ভিডিও বার্তায় ইউনিফর্ম পরিহিত এক সামরিক কর্মকর্তা বলেছেন, "প্রেসিডেন্টকে গ্রেপ্তারের পর আমরা দেশের সংবিধান ভেঙে দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।"
আরও পড়ুন: অন্তঃসত্ত্বা আফগান পুলিশ কর্মকর্তাকে পরিবারের সামনে হত্যা
নতুন সরকার ব্যবস্থায় দেশের গভর্নর ও অন্যান্য প্রশাসকদের জায়গা সামরিক কর্মকর্তারা নেবেন বলে জানিয়েছে তারা। সেই সাথে দেশটির স্থল ও আকাশ সীমান্তও বন্ধ করে দেয়া হয়েছে।
এর আগে রোববার (৫ সেপ্টেম্বর) রাজধানী কোনাক্রিতে প্রেসিডেন্টের বাসভবনে ভারি গুলিবর্ষণের আওয়াজ শোনা যায়।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে এক সরকারি কর্মকর্তা গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন, বিশেষ বাহিনীর এক কর্মকর্তাকে বরখাস্ত করার পর এই অচলাবস্থার সূত্রপাত হয়ে থাকতে পারে।
এই ক্যুয়ের প্রতি নিন্দা জানিয়েছে জাতিসংঘ ও আফ্রিকান ইউনিয়নসহ আঞ্চলিক সংস্থাগুলো। যুক্তরাষ্ট্রের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, এর ফলে গিনিকে সহায়তায় ওয়াশিংটনের সক্ষমতা 'সীমিত' হয়ে পড়তে পারে।
একাত্তর/এসজে