বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধি ও সরবরাহ সংকট নিয়ন্ত্রণে আনতে নিজেদের জরুরি মজুত থেকে তেল ছাড়ার বিষয়ে আলোচনা করতে যাচ্ছে বিশ্বের শীর্ষ সাত অর্থনীতির দেশের জোট জি-৭।
সোমবার (৯ মার্চ) জোটের অর্থমন্ত্রীরা আন্তর্জাতিক জ্বালানি সংস্থার (আইইএ) সঙ্গে সমন্বয় করে এই যৌথ পদক্ষেপের বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করবেন।
ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম ফিন্যান্সিয়াল টাইমসের এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, জি-৭ ভুক্ত দেশগুলোর মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রসহ অন্তত তিনটি দেশ ইতোমধ্যে জরুরি মজুত থেকে বাজারে তেল ছাড়ার এই প্রস্তাবের প্রতি সমর্থন জানিয়েছে।
কেন এই পদক্ষেপ?
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান ইরান-ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধের প্রভাবে বিশ্ববাজারে তেলের দাম হু হু করে বাড়ছে। সরবরাহ ব্যবস্থা ভেঙে পড়ার আশঙ্কায় তেলের দাম ব্যারেল প্রতি ১১৪ ডলার ছাড়িয়ে গেছে।
এমন পরিস্থিতিতে বাজার স্থিতিশীল রাখতে এবং তেলের দাম সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে রাখতে এই ‘ইমার্জেন্সি অয়েল রিজার্ভ’ ব্যবহারের পরিকল্পনা করা হচ্ছে।
কানাডা, ফ্রান্স, জার্মানি, ইতালি, জাপান, যুক্তরাজ্য এবং যুক্তরাষ্ট্র—এই সাতটি উন্নত অর্থনীতির দেশ নিয়ে গঠিত জি-৭ জোটের এই সিদ্ধান্ত বিশ্ববাজারের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
যদি আজ অর্থমন্ত্রীদের বৈঠকে তেলের মজুত ছাড়ার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়, তবে বাজারে তেলের সরবরাহ বাড়বে এবং দাম কিছুটা কমে আসবে বলে আশা করছেন অর্থনীতিবিদরা।
আন্তর্জাতিক জ্বালানি সংস্থা (আইইএ) সাধারণত সদস্য দেশগুলোর তেলের মজুত তদারকি করে থাকে। তাদের সাথে সমন্বয় করেই এই বিপুল পরিমাণ তেল বিশ্ববাজারে ছাড়া হতে পারে।