লেবাননে দখলদার বাহিনীর অব্যাহত সন্ত্রাসী হামলার জবাবে রোববার (৭ জুন) রাতে ইসরাইলে প্রতিশোধমূলক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে ইরানের সশস্ত্র বাহিনী।
ব্যালেস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলার তথ্য নিশ্চিত করে ইসরাইলি সেনাবাহিনী জানিয়েছে, তাদের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থায় রয়েছে। নিরাপত্তা পরিস্থিতির অবনতির আশঙ্কায় সোমবার ইসরাইলের সব স্কুল ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।
এদিকে হামলার কথা স্বীকার করলেও হতাহত ও ক্ষয়ক্ষতির বিষয়ে কোনো তথ্য প্রকাশ করেনি নেতানিয়াহু প্রশাসন।
তেহরান বলছে, ইরানের এই অভিযান লেবাননের বিরুদ্ধে জায়নবাদী শাসনের চলমান আগ্রাসনের সরাসরি জবাব।
ইরানের অভিযোগ, ইসরাইল লেবাননে নিষিদ্ধ ফসফরাস বোমা ব্যবহার করেছে এবং আন্তর্জাতিক সতর্কতা উপেক্ষা করে বৈরুতের দক্ষিণাঞ্চল দাহিয়ায় হামলা অব্যাহত রেখেছে।
প্রতিশোধমূলক অভিযানের পরপরই ইরানি সশস্ত্র বাহিনীর কেন্দ্রীয় কমান্ড খাতামুল আম্বিয়া হেডকোয়ার্টার সতর্ক করে বলেছে, লেবাননে ইসরাইলি হামলা অব্যাহত থাকলে আরও কঠোর ও অনুতাপ সৃষ্টিকারী জবাব দেওয়া হবে।
এক বিবৃতিতে ইরানের কেন্দ্রীয় সামরিক কমান্ড ইসরাইলকে যুদ্ধবিরতির ধারাবাহিক লঙ্ঘন এবং লেবাননের জনগণের বিরুদ্ধে আগ্রাসন বাড়ানোর জন্য দায়ী করেছে। একইসঙ্গে তেহরান দাবি করেছে, এ ধরনের হামলার পেছনে যুক্তরাষ্ট্রের প্রত্যক্ষ সমর্থন এবং আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের নীরবতা ভূমিকা রাখছে।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা বৃদ্ধি বা ইরানের প্রতিশোধমূলক হামলার পাল্টা জবাব দেওয়ার চেষ্টা করা হলে সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোকে ধ্বংসাত্মক পরিণতির মুখোমুখি হতে হবে। একইসঙ্গে আরও কঠোর ও ভয়াবহ হামলার হুঁশিয়ারিও দিয়েছে তেহরান।