গাজা উপত্যকায় ফিলিস্তিনের স্বাধীনতাকামী সশস্ত্র সংগঠন- হামাসের কৌশলগত হামলা ও প্রতিরোধে প্রায় প্রতিদিনই সেনা সদস্য ও কর্মকর্তাদের হারাচ্ছে ইসরাইলের প্রতিরক্ষা বাহিনী- আইডিএফ।
সোমবার, চলমান যুদ্ধে আরও পাঁচ সেনাকে হারানো খবর দিয়েছে বাহিনীটি। এনিয়ে গাজায় অভিযানে এসে ইসরাইলি সেনা সদস্য নিহতের সংখ্যা দাঁড়ালো ১২৭ জনে। তবে, হামাসের দাবি এ সংখ্যা আরও অনেক বেশি।
সাত অক্টোবরের পর থেকে গাজা উপত্যকায় বোমাবর্ষণের বেশ কিছুদিন পর স্থল অভিযানে নামে আইডিএফ সেনা। হামাস নির্মূল করা প্রাথমিক উদ্দেশ্য হলেও, গাজার দখল নেওয়ায় মূলত মুখ্য উদ্দেশ্য নেতানিয়াহুর। আর তাই যুদ্ধকে দ্রুত শেষ করতে কোনোরকম ফাঁক দিতে চাইছে না তেল আবিব। কিন্তু তাদের সেই উদ্দেশ্য ভন্ডুল করে দিয়েছে হামাস। তাদের গেরিলা কায়দার প্রতিরোধে এখন উল্টো বেসামাল তেল আবিব।
স্থল অভিযানের মধ্যে দিয়ে হামাসকে পরাজিত করতে পাঠানো হয়েছে আইডিএফকে। তবে হামাসের আল কাসেম ব্রিগেডের সঙ্গে অনেক ক্ষেত্রেই লড়তে ব্যাপক সমস্যায় পড়ছে আইডিএফ। অতর্কিত এসে আক্রমণ বা আরপিজি’র মাধ্যমে ট্যাংক উড়িয়ে দিচ্ছে হামাসের আল কাসেম ব্রিগেড। যার ফলে কোথাও আহত বা কোথাও নিহত হচ্ছে ইজরাইল সেনা। ঘরের মাটিতে হামাসকে দমানো যে অসম্ভব, তা বিলক্ষণ বুঝতে পারছে ইজরাইলের প্রযুক্তি নির্ভর বিলিয়ন ডলারের আইডিএফ সেনা।
তাই ধীরে হলেও সেনার মৃত্যুর সংখ্যা আস্তে আস্তে বাড়ছে। যুদ্ধে কতদিন চলবে তা এখনও বলতে না পারা গেলেও এই যুদ্ধ দীর্ঘস্থায়ী হলে যে সমস্যা বাড়বে তাতে কোন সন্দেহ নেই। ফ্রেন্ডলি ফায়ারের মতো ঘটনাও ঘটছে। অর্থাৎ, মাথা খারাপ হয়ে এখন উল্টো ইসরাইলি সেনারা ভুল করে নিজেদের সেনাকেই গুলি করছে। এতে এখন পর্যন্ত কয়েকজন কর্মকর্তাসহ প্রায় তিন ডজন সেনাকে হারিয়েছে আইডিএফ।