যুদ্ধে পশ্চিমা মিত্রদের কাছ থেকে সময়মতো প্রয়োজনীয় অস্ত্র ও গোলাবারুদ না লড়াইয়ে ইউক্রেন পিছিয়ে পড়ছে বলে দাবি করেছেন দেশটির প্রতিরক্ষামন্ত্রী রুস্তম উমেরভ।
তিনি বলেছেন, বর্তমানে তাদের ভূখণ্ড থেকে রাশিয়ানদের তাড়ানোর লক্ষ্যে বিভিন্ন বাধা-বিপত্তির মুখে পড়তে হচ্ছে।
রোববার দ্যা গার্ডিয়ানকে ইউক্রেনের প্রতিরক্ষামন্ত্রী বলেন, পশ্চিমা মিত্রদের প্রতিশ্রুত সাহায্যের অর্ধেকও তাদের কাছে পৌঁছায়নি। যুক্তরাষ্ট্রের এফ-সিক্সটিন যুদ্ধ বিমান এখনও যুক্ত হয়নি ইউক্রেনের বিমান বহরে এবং সেনাদের শেল ও বিমান প্রতিরক্ষা ক্ষেপণাস্ত্রও ফুরিয়ে যাচ্ছে।
রুস্তম উমেরভ জানান, অস্ত্র সরবরাহের অভাবের কারণে যুদ্ধে সুবিধা করতে পারছে ইউক্রেন। আর গত বছর ইউক্রেনের ঘোষিত পাল্টা আক্রমণ দ্রুত শুরু না হওয়ারও কারণ ছিলো অস্ত্রের অভাব।
ইউক্রেনের প্রতিরক্ষামন্ত্রীর এই অভিযোগ এমন এক সময় এলো যখন মস্কোর পূর্ণ মাত্রায় আগ্রাসনের দ্বিতীয় বার্ষিকী উদযাপন করছে।
২০২২ সালের ফেব্রুয়ারি শুরুর পর গত দুই বছরে ৩১ হাজার ইউক্রেনীয় সৈন্য নিহত হয়েছে বলে জানিয়েছেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি, যদিও রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন দাবি করেছেন, এই সংখ্যা আরো অনেক বেশি।
উমেরভ বলেন, তার সৈন্যরা নতুন এলাকা সুরক্ষিত করেছে এবং সম্মুখ সমরের জন্য প্রস্তুত। তবে পশ্চিমাদের যুদ্ধাস্ত্র সরবরাহে বিলম্ব যুদ্ধক্ষেত্রে বিপত্তি এবং সৈন্যদের মৃত্যুর দিকে নিয়ে যাচ্ছে।
উমেরভের দাবি, ইউক্রেনে সর্বাত্মক আক্রমণে রাশিয়া খরচ করেছে ১৫০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার, যা দেশটির মোট জিডিপির ১৫ শতাংশ।
এদিকে ইউক্রেনের প্রধান মিত্র মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের প্রশাসন জানিয়েছে, তারা ইউক্রেনের জন্য ৬০ বিলিয়ন ডলারের সহায়তা প্যাকেজ দিয়েছে। এই অর্থ রাশিয়ার দখলে যাওয়া ইউক্রেনের শহরগুলো পুনরুদ্ধারে কাজে লাগবে।