সৌদি আরবের রাষ্ট্রায়ত্ত বিমান সংস্থা সৌদিয়া এয়ারলাইনসের একটি যাত্রীবাহী বিমানের অবতরণের সময় সামনের ল্যান্ডিং গিয়ারে আগুনের ঘটনা ঘটেছে। বৃহস্পতিবার পাকিস্তানের পেশোয়ার বিমানবন্দরে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
দেশটির বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (সিএএ) বলেছে, পেশোয়ার বিমানবন্দরের এ ঘটনায় কেউ হতাহত হননি। বিমানের ২৭৬ যাত্রী এবং ২১ ক্রু সদস্যকে নিরাপদে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। খবর ব্লুমবার্গ’র।
সিএএর মুখপাত্র সাইফুল্লাহর বরাত দিয়ে পাকিস্তানের স্থানীয় সংবাদমাধ্যম বলেছে, বিমানবন্দরের এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোল রুমের কর্মকর্তারা সৌদিয়া এয়ারলাইনসের বিমানটির সামনের বাম পাশের ল্যান্ডিং গিয়ারে ধোঁয়া ও আগুনের স্ফুলিঙ্গ দেখতে পান। তারা তৎক্ষণাৎ এ বিষয়ে বিমানের পাইলট, বিমানবন্দরের ফায়ার সার্ভিস ও উদ্ধারকারী সংস্থাকে সতর্ক করে দেন।
পরে বিমানটি অবতরণের সঙ্গে সঙ্গে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা দ্রুত আগুন নিভিয়ে ফেলেন। সিএএর মুখপাত্র সাইফুল্লাহ জানান, ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা অত্যন্ত স্বল্প সময়ের মধ্যে বিমানের ল্যান্ডিং গিয়ারের আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন। এর ফলে বড় ধরনের দুর্ঘটনা থেকে রক্ষা পেয়েছে বিমানটি।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক বিবৃতিতে সৌদিয়া এয়ারলাইনস বলেছে, তাদের এসভি৭৯২ বিমানটি সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদ থেকে পেশোয়ারের উদ্দেশ্যে যাত্রা শুরু করে। পরে পাকিস্তানের পেশোয়ার আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণের সময় বিমানটির একটি টায়ার থেকে ধোঁয়া নির্গত হওয়ার ঘটনা ঘটেছে।
বিবৃতিতে বলা হয়, এই ঘটনায় বিমানটি তাৎক্ষণিকভাবে বন্ধ করে দেওয়ার পর সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে অবগত করা হয়। বিমানের সব যাত্রী ও ক্রুকে স্লাইডের মাধ্যমে নিরাপদে সরিয়ে নেওয়া হয়। প্রযুক্তিগত কোনও ত্রুটি আছে কি-না, তা জানতে বিশেষজ্ঞরা বিমানটিতে তদন্ত করছেন।
মার্কিন সংবাদমাধ্যম ব্লুমবার্গের এক প্রশ্নের জবাবে সৌদিয়া বলেছে, দুর্ঘটনা কবলিত বিমানটি একটি সাত বছরের পুরোনো এয়ারবাস এ৩৩০-৩০০। বিমানটির সুরক্ষা নিশ্চিত করার জন্য বর্তমানে ব্যাপক পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হচ্ছে।