সংরক্ষণের অভাবে জেলা শহরগুলোতে শিক্ষার্থীদের ফাইজারের টিকা কর্মসূচিচলমান রাখা কঠিন হয়ে পড়েছে বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্য বিভাগ।
এই টিকা সংরক্ষণের জন্য বিশেষ ফ্রিজে মাইনাস ৬০ থেকে ৭০ ডিগ্রি তাপমাত্রানিশ্চিত করতে হয়। ফ্রিজ থেকে বের করার ১২ ঘন্টার মধ্যেই টিকা দেয়ার কাজ শেষ করতে হয়।
এমন বিশটি ফ্রিজ আছে ঢাকায়। কিন্তু জেলা শহরে এটি না থাকায় সঙ্কট তৈরিহচ্ছে। ফলে ঢাকার বাইরে ফাইজারের টিকা দেওয়া চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
শনিবার, ধানমন্ডী কাকলী স্কুল এন্ড কলেজে টিকা নিতে জড়ো হয়েছে ডেমরা,লালবাগ, ধানমন্ডিসহ আশপাশের সাতটি থানার শিক্ষার্থীরা।
যারা আগামী পহেলা ডিসেম্বর এইচএসসি পরীক্ষায় বসতে যাচ্ছে। বর্তমানেতাদেরই অগ্রাধিকার ভিত্তিতে দেওয়া হচ্ছে ফাইজারের টিকা।
এই কেন্দ্রটির মতোই ঢাকার আরও ছয়টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে চলছে করোনাপ্রতিরোধী টিকার কার্যক্রম। আর সব কেন্দ্রেই দেওয়া হচ্ছে ফাইজারের টিকা।
আরও পড়ুন: ফেরির টোলঘর ভেঙ্গে দিলো বিক্ষুব্ধ জনতা
স্বাস্থ্য বিভাগ বলছে, শিশু শিক্ষার্থীদের দেওয়া ফাইজারের টিকার সংরক্ষণকরতে হয় মাইনাস ৬০ থেকে ৭০ ডিগ্রিতে। ইপিআইয়ের সংরক্ষণাগারে এমন মাত্র ২৬টি ফ্রিজ আছে।
যার সবগুলোই আছে ঢাকায়। এই ফ্রিজ থেকে টিকা বের করার ১২ ঘন্টার মধ্যেতা প্রয়োগের কাজ শেষ করতে হয়।
ইপিআই কর্মসূচির লাইন ডিরেক্টর ডা: শামসুল হক জানান, ফাইজার টিকা সংরক্ষণেরএই বাধ্যবাধকতার জন্য ঢাকা ১২ ঘন্টার দুরত্বের ২৩ জেলার শিক্ষার্থীদেরই টিকা দেওয়াযাচ্ছে।
তবে এতে নিরাশ হবার কিছু নেই জানিয়ে তিনি বলেন, মাইনাস ৬০ থেকে ৭০ডিগ্রিতে টিকা সংরক্ষণ করার মতো আরও ১০টি বিশেষ ফ্রিজ কেনা হচ্ছে।
এসব ফ্রিজ আসার পর সেগুলো বিভাগীয় শহরগুলোতে দেয়া হবে। তখন বাকি জেলাগুলোকেওফাইজার টিকার আওতায় আনা যাবে।
একাত্তর/টিএ