বিমানের নিউইয়র্ক ফ্লাইটের অনুমোদন চাইলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী

বাংলাদেশ বিমানকে নিউইয়র্ক ফ্লাইটের অনুমোদন দ্রুতই দেয়া উচিত বলে মন্তব্য করেছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন। বাংলাদেশি আমেরিকানদের সেবা দেয়ার জন্যই এই সুযোগটি করে দেয়া দরকার উল্লেখ করে তিনি বলেন, বাংলাদেশ তার পক্ষ থেকে সবকিছু করেছে। এখন যুক্তরাষ্ট্রের প্রশাসনিক কাজগুলো করতে হবে।

বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র কূটনৈতিক সম্পর্কের ৫০ বছর উপলক্ষে নিউইয়র্কে আয়োজিত একটি অনুষ্ঠানে পররাষ্ট্রমন্ত্রী এসব কথা বলেন। বৃহস্পতিবার (৭ এপ্রিল) সন্ধ্যায় শেখ কামাল স্মৃতি পরিষদ এবং নিউ আমেরিকান ভোটারস এসোসিয়েশনের যৌথ উদ্যোগে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

ড. মাসুদুল হাসানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন ইউএস কংগ্রেসম্যান টম সুজি। পররাষ্ট্রমন্ত্রী বাংলাদেশি আমেরিকানদের উদ্দেশ্যে বলেন, তাদের উচিত হবে নিজেদের নির্বাচিত প্রতিনিধিদের সঙ্গে বাংলাদেশ বিমানের বিষয়টি নিয়ে যোগাযোগ স্থাপন করা। যাতে করে, দ্রুত এই প্রক্রিয়াটি শেষ করা যায়। আর দুই দেশের মধ্যকার কূটনৈতিক সম্পর্কের ৫০ বছরে এটি বড় একটি অর্জন হবে বলে মন্তব্য করেন তিনি।

আরও পড়ুন: মাদক কারবারিদের সাথে বন্দুকযুদ্ধে র‍্যাবসহ গুলিবিদ্ধ চারজন

পররাষ্ট্রমন্ত্রী এসময় বঙ্গবন্ধুর খুনি ফাঁসির সাজাপ্রাপ্ত রাশেদ চৌধুরীকে বাংলাদেশে ফেরত পাঠানোর জন্য আবারো যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি আহবান জানান। এ ছাড়া তিনি বাংলাদেশের উন্নয়ন চিত্র তুলে ধরেন বিদেশি বন্ধুদের সামনে।

এসময় কংগ্রেসম্যান টম সুজি বলেন, বাংলাদেশের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্ক সবসময়ই খুব ভালো ছিল। আগামী দিনগুলোতে এই সম্পর্ক আরো শক্তিশালী হবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

বাংলাদেশি আমেরিকানদের ভূয়সী প্রশংসা করে কংগ্রেসম্যান বলেন, যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশিদের আলোকিত প্রজন্ম গড়ে উঠছে। দুই দেশের কূটনৈতিক সম্পর্কের ৫০ বছরে তিনি বাংলাদেশের মানুষকে শুভেচ্ছা জানান।

সভাপতির বক্তব্যে শেখ কামাল স্মৃতি পরিষদের প্রেসিডেন্ট ড. মাসুদুল হাসান বলেন, অত্যন্ত পরিশ্রমী বাংলাদেশি আমেরিকান হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রের বিনির্মাণে আমাদেরও অবদান রয়েছে। বাংলাদেশের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের উন্নয়ন ও অগ্রগতির অংশিদারিত্ব দেখতে চাই আমরা। এই সম্পর্ক ভবিষ্যতে আরও অনেক দূর এগিয়ে যাবে এমনটাই আমরা আশা করি।

অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন কাউন্সিলওম্যান ন্যাটালি লি, ডিস্ট্রিক্ট লিডার রিচার্ড ডেভিড, জাতিসংঘে বাংলাদেশের উপ-স্থায়ী প্রতিনিধি ড. মনোয়ার হোসেন, নিউইয়র্কে বাংলাদেশের কনসাল জেনারেল ড. এম মনিরুল ইসলাম, শেখ কামাল স্মৃতি পরিষদের সাধারণ সম্পাদক ডা. এ বি এম সিদ্দিক, নিউ অ্যামেরিকান ভোটারস এসোসিয়েশনের প্রেসিডেন্ট দিলীপ নাথসহ অনেকে।


একাত্তর/আরএ