রেলপথে এবার স্বাচ্ছন্দ্যময় ঈদযাত্রায় খুশি যাত্রীরা

চতুর্থ দিনের ঈদ যাত্রায় কোনো শিডিউল বিপর্যয় ছাড়াই কমলাপুর স্টেশন থেকে ছেড়ে গেছে বেশিরভাগ ট্রেন। ছিলো না যাত্রী ভোগান্তিরও অভিযোগ। 

ঈদযাত্রায় রেলের এমন ব্যবস্থাপনায় স্বস্তি জানিয়েছেন যাত্রীরা। বিনা টিকেটে ভ্রমণ বা যাত্রীদের ছাদে ওঠা ঠেকাতে এবার বিশেষ নজরদারিও করছে রেলওয়ে। 

রেল আর ঈদযাত্রা- শব্দ দুটি একসাথে এতদিন ছিলো ভোগান্তিরই নামান্তর। ট্রেনের শিডিউল বিপর্যয় হয়নি এমন ঈদযাত্রা কবে দেখা গেছে সেটি হয়তো মনেই করতে পারবেন না যাত্রীরা।

তবে এবার চিত্রটা বদলেছে, ঈদ যাত্রার চতুর্থ দিনেও শনিবার কমলাপুর থেকে নির্ধারিত সময়েই ছেড়ে গেছে প্রায় সব ট্রেন। মেলেনি ভোগান্তিরও কোনো অভিযোগ। 

তবুও ট্রেনের শিডিউল বিপর্যয়ের শঙ্কায় অনেকেই স্টেশনে আসছেন দুই থেকে চার ঘণ্টা আগে। কিন্তু ভোগান্তি না থাকায় কর্তৃপক্ষকে ধন্যবাদও দিচ্ছেন অনেক যাত্রী।

চতুর্থ দিন সকাল থেকেই কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশনে যথারীতি ছিলো উপচে পড়া ভিড়। তবে প্রতিটি প্লাটফর্ম থেকে ট্রেন ছেড়ে গেলেই প্লাটফর্মগুলো একেবারেই ফাঁকা হয়ে গেছে।

সকালের দিকে মৃদু বাতাস বয়ে যাওয়ায় ভিড় থাকলেও আগের তিন দিনের মতো গরমে কষ্ট করতে হয়নি যাত্রীদের। তবে কারো কারো আসন খুঁজে পেতে কিছুটা সময় লেগেছে।

তবে প্রায় সব ট্রেন সময় মতো ছাড়ায় খুশি যাত্রীরা। এক যাত্রী বলেন, স্বস্তির যে ট্রেন সময় মতো ছাড়ছে। বহুদিন পর বাড়ি যাবো, পরিবারের সবার সঙ্গে ঈদ করবো, এটা ভেবে আনন্দ লাগছে।

কর্তৃপক্ষ বলছে, সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনা আর সঠিক নির্দেশনায় শিডিউল বিপর্যয় ঠেকানো গেছে। এছাড়া রেলে বাড়তি যুক্ত হওয়া ইঞ্জিনগুলোও ভূমিকা রাখছে যোগাযোগে গতি বাড়ানোয়।

কমলাপুর রেল স্টেশনের ব্যবস্থাপক মোহাম্মদ মাসুদ সারওয়ার বলেন, এবারের ঈদ যাত্রা সবচেয়ে স্বাচ্ছন্দ্যময় ও নিরাপদ হয়েছে। 

আরও পড়ুন: টার্মিনাল থেকে সড়কে এবার ঈদযাত্রা চলছে স্বস্তিতে

হাতেগোনা কয়েকটি ট্রেন ২০ থেকে ৪০ মিনিট দেরিতে কমলাপুর স্টেশন ছেড়ে যাচ্ছে। এটাকে সিডিউল বিপর্যয় বলা চলে না। সময় মতো ট্রেন ছাড়া নিয়ে যাত্রীরা স্বস্তি প্রকাশ করছেন।

এদিকে, বিনা টিকেটে আর ছাদে যাত্রীদের ভ্রমণ ঠেকাতে এবারও ছিলো রেলওয়ে কর্তৃপক্ষের বাড়তি নজরদারি। 



একাত্তর/এসি