মা সৈয়দা শাহার বানু চৌধুরী ও বাবা আবু আহমদ আব্দুল হাফিজের কবরের পাশেই চিরনিদ্রায় শায়িত হলেন সাবেক অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আব্দুল মুহিত।
রোববার (১ মে) বিকেল তিনটার দিকে নগরীর রায়নগরে ডেপুটি বাড়ি বা সাহেববাড়ি হিসেবে পরিচিত পৈত্রিক বাড়ির পারিবারিক কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়। এর আগে মহানগর পুলিশের একটি চৌকস দল তার প্রতি গার্ড অব অনার দিয়ে রাষ্ট্রীয় সম্মান প্রদর্শন করে।
এসময় অনুজ পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. একে আব্দুল মোমেন, বড়ো ছেলে সাহেদ মুহিতসহ পরিবারের সদস্য, নিকটাত্মীয় ও আওয়ামী লীগের শীর্ষ নেতারা উপস্থিত ছিলেন। দাফনের পর উপস্থিত শত শত মানুষ প্রয়াত মুহিতের রুহের মাগফেরাত কামনা করে দোয়া করেন।
এর আগে দুপুর দুইটায় হাজারো মানুষের উপস্থিতিতে মুহিতের শেষ জানাযা অনুষ্ঠিত হয় নগরীর ঐতিহাসিক আলিয়া মাদ্রাসা মাঠে।
জানাজার আগে বেলা ১২টায় সিলেট কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে আবুল মাল আবদুল মুহিতের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন সর্বস্তরের মানুষ। সেখানে মহানগর পুলিশের একটি চৌকস দল গার্ড অব অনার দিয়ে ভাষাসৈনিক ও মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক আবুল মাল আব্দুল মুহিতের প্রতি রাষ্ট্রীয় সম্মান প্রদর্শন করে। এরপর প্রয়াতের প্রতি সম্মান দেখিয়ে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়।
আরও পড়ুন: মুসলিম বিশ্বের প্রথা ভেঙে আফগানিস্তানে ঈদ পালন
ক্যান্সারসহ বার্ধক্যজনিত রোগে ভুগতে থাকা মুহিত শুক্রবার দিবাগত রাত ১২টা ৫৬ মিনিটে রাজধানীর একটি হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন মুহিত।
২০০৮ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি সিলেট-১ (সদর-নগর) আসনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে বিজয়ী হন। এরই ধারাবাহিকতায় ২০১৪ সালের নির্বাচনেও তিনি বিজয়ী হন। এই সময়ে তিনি অর্থমন্ত্রী হিসেবে দেশের সবচেয়ে বেশিবার বাজেট প্রণয়নের রেকর্ড গড়েন।
‘আলোকিত সিলেট’ গড়ার প্রত্যয় নিয়ে তিনি ২০০১ সালের নির্বাচনেও প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন। একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে তিনি স্বেচ্ছায় রাজনীতি থেকে অবসর নেন।
একাত্তর/এসি