নিম্ন আয়ের কোটি পরিবারের মাঝে টিসিবির পণ্য বিক্রি শুরু

নিম্ন আয়ের এক কোটি উপকারভোগী কার্ডধারী পরিবারের মাঝে ভর্তুকিমূল্যে আবারও তেল, চিনি, মসুর ডাল ও পেঁয়াজ বিক্রি কার্যক্রম শুরু করলো টিসিবি। 

রোববার (১১ সেপ্টেম্বর) শুরু হওয়া কার্যক্রমের আওতায় সেপ্টেম্বরে ১০ হাজার টন চিনি এবং ২০ হাজার টন করে সর্বমোট ৪০ হাজার টন তেল আর মসুর ডাল কিনতে পারবেন কার্ডধারীরা। 

বাণিজ্য মন্ত্রণালয় বলছে, টিসিবির মাধ্যমে এক কোটি পরিবারকে পণ্য দিতে সরকারের বছরে ভর্তুকির পরিমাণ দাঁড়াবে পাঁচ হাজার দুইশ’ ৯০ কোটি টাকা। 

ষাটোর্ধ সিদ্দিকুর রহমান। রাজধানীর বেগুনবাড়ী এলাকায় সবজি বিক্রি করে চলে তার সংসার। টিসিবির পণ্য কিনতে এসে তিনি বলেন, বাজারে দ্রব্যমূল্যের আগুনের উত্তাপে এখন তার সংসার চালানোই দায়। তবে তার একটু স্বস্তি মিলছে ভর্তুকিমূল্যে টিসিবির পণ্য কিনতে পেরে। 

সিদ্দিকুরের মতো, নিম্ন আয়ের এক কোটি পরিবার মাঝে সেপ্টেম্বর মাসের ন্যায্যমূল্যে টিসিবির পণ্য বিক্রি শুরু করলো সরকার। শুরুর দিনে রাজধানীর ২৭টি ডিলার পয়েন্টসহ একযোগে ৩২ জেলায় শুরু হয় টিসিবির পণ্য বিক্রি কার্যক্রম। বাকি জেলাগুলোতেও শুরু হবে এ সপ্তাহেই। 

টিসিবির কার্ডধারীরা ৫৫ টাকা কেজি দরে এক কেজি চিনি, ৬৫ টাকা কেজি দরে দুই কেজি মসুর ডাল, ২০ টাকা কেজি দরে দুই কেজি পেঁয়াজ ও ১১০ টাকা লিটার দরে দুই লিটার সয়াবিন তেল কিনতে পারবেন। তবে টিসিবি পেঁয়াজ বিক্রি করবে শুধুমাত্র সিটি কর্পোরেশন এলাকায়। 

আরও পড়ুন: ১১ বছর পর ঝিনাইদহ পৌরসভায় ভোট

সেপ্টেম্বরের পণ্যবিক্রি কার্যক্রমের উদ্বোধন করে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব তপন কান্তি ঘোষ বলেন, মাসে একবার করে এক কোটি পরিবারের মাঝে পণ্য বিক্রি করলে সরকারের ভর্তুকির পরিমাণ দাঁড়াবে পাঁচ হাজার দুইশ’ ৯০ কোটি টাকা। সেখানে মাসে দু’বার দিলে ভর্তুকির পরিমাণ দাঁড়াবে দ্বিগুণে। ফলে বিষয়টি নিয়ে ভেবে দেখবে সরকার। 

টিসিবির’র মাধ্যমে এক কোটি নিম্ন আয়ের পরিবার ছাড়াও সরকারের খাদ্যবান্ধব ওএমএস কর্মসূচির আওতায়, প্রতি মাসে ১৫ টাকা কেজি দরে ৩০ কেজি করে চাল কিনতে পারছে ৫০ লাখ ১০ হাজার ৫০৯টি পরিবার। যা চলবে টানা সেপ্টেম্বর, অক্টোবর ও নভেম্বর মাসজুড়ে। 

একাত্তর/এসজে