গাইবান্ধা-৫ (ফুলছড়ি-সাঘাটা) আসনে উপ-নির্বাচনে ভোটগ্রহণ চলছে। বুধবার (১২ অক্টোবর) সকাল আটটা ১৪৫টি কেন্দ্রে ইভিএমের মাধ্যমে ভোটগ্রহণ শুরু হয়।
এদিন সকাল থেকে ভোট শুরু হওয়ার পর বেলা সাড়ে ১১টার দিকেবিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগে ৫০টি কেন্দ্রের ভোটগ্রহণ স্থগিত করেছে নির্বাচন কমিশন।
রিটার্নিং কর্মকর্তা ও রাজশাহী আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা মো. সাইফুল ইসলাম বলেন, সাঘাটা ও ফুলছড়ি উপজেলার ৫০ কেন্দ্রে জালিয়াতির মাধ্যমে গোপন কক্ষে একজনের পরির্বতে আরেকজন ভোট দেওয়ার অভিযোগে এসব কেন্দ্রের ভোট স্থগিত রাখা হয়েছে।
এদিন গাইবান্ধার ওই আসনের নির্বাচন স্থগিতে ইঙ্গিত দিয়েছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী হাবিবুল আউয়াল।
তিনি বলেছেন, ইভিএমে কোনো সমস্যা নেই, সমস্যা মানুষের মধ্যে । তারা নির্বাচন ম্যানুপুলেট করছে। ভোট নিয়ন্ত্রণের বাহিরে চলে গেছে।
বিশৃঙ্খলকারীদের ভোট ডাকাত উল্লেখ করে সিইসি বলেন, আমরা যাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ পাবো তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবো।
সিইসি বলেন, মূল অ্যাকশন হিসেবে প্রথমেই আমরা কেন্দ্র বন্ধ করেছি। আমরা টেলিফোনে এসপি, ডিসি, রিটার্নিং অফিসারকে বলেছি যে, আমরা এখান থেকে সিসি ক্যামেরায় দেখতো পেয়েছি। তাই সঙ্গে সঙ্গে ভোট বন্ধ করে দিয়েছি।
সিইসি জানান, যদি মনে হয় নির্বাচন সঠিকভাবে হচ্ছে না তাহলে কমিশন নির্বাচন বন্ধ করে দিতে পারে। এ বিষয়ে যখন আমরা চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবো, তখন জানাবো।
শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত জাতীয় পার্টির প্রার্থীসহ অন্যরা ভোট বর্জনের ঘোষণা দিয়েছেন। এখন শুধু মাঠে থাকলেন আওয়ামী লীগের প্রার্থী।
একাত্তর/এসি