দেশে ডেঙ্গুর প্রকোপ ভয়াবহ রূপ নিয়েছে। দীর্ঘ হচ্ছে মৃত্যুর মিছিলও। এ বছর এখন পর্যন্ত ১৯৯ জনের মৃত্যুর খবর দিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। রোগী বৃদ্ধিতে ঢাকার হাসপাতালগুলোতে বেড়েছে আসন সঙ্কট।
কীটতত্ত্ববিদরা বলছেন, দেরিতে বর্ষা আসায় ডেঙ্গু মৌসুম দীর্ঘায়িত হচ্ছে।
গত বছরও জুন থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ডেঙ্গুর দাপট ছিলো। কিন্তু এবার উল্টো চিত্র। প্রাণঘাতী ডেঙ্গু যেনো বছরব্যাপী শঙ্কার কারণ হয়েছে। অতীতের সব রেকর্ড ভেঙে এবার অক্টোবরে রোগীর সংখ্যা দাঁড়ায় প্রায় ২২ হাজার। গেলো দুই যুগেও এমন পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হয়নি।
এর আগে কখনও নভেম্বরের শীতের আমেজে হাসপাতালে ডেঙ্গু রোগীর চাপ ছিলোনা। কিন্তু এখন শিশু হাসপাতালে রোজ অন্তত দুশো শিশু আসছে।
প্রায় একই চিত্র মিডফোর্ট, ঢাকা মেডিকেল, সোহরাওয়ার্দীসহ সব হাসপাতালে। রোগীর চাপ সামলাতে মহাখালী ডিএনসিসি হাসপাতালেও শুরু করতে হয় ডেঙ্গুর চিকিৎসা।
কিন্তু কেনো অসময়ে ডেঙ্গুর এমন দাপট। সম্পর্কটা আবহাওয়া পরিবর্তনের। জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে এবার বর্ষা এসেছে দেরীতে। তাও ছিলো অনেকটা বৃষ্টিহীন বর্ষা। হালকা বৃষ্টির সাথে তীব্র গরমের সময়টা ছিলো এডিস বিস্তারের আদর্শ পরিবেশ। ফলে এখন নির্দিষ্ট মৌসুমে সীমাবদ্ধ নেই এডিসের জীবনচক্র।
আরও পড়ুন: বায়ু দূষণে ঢাকা বিশ্বে দ্বিতীয়
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বলছে, আবহাওয়ার পাশাপাশি পাল্টাচ্ছে ডেঙ্গুর ধরণও। ডেঙ্গুর চারটি ধরণের মধ্যে এবার সবচে বেশি শনাক্ত হয়েছে ডেন থ্রি ও ফোর। যা বেশি প্রাণঘাতী।
একাত্তর/আরএ