বিএনপির পাঁচ এমপির পদত্যাগপত্র গ্রহণ করলেন স্পিকার

বিএনপির পদত্যাগকারী সাতজন সংসদ সদস্যের মধ্যে পাঁচজনের পদত্যাগপত্র গ্রহণ করেছেন জাতীয় সংসদের স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী। 

রোববার (১১ ডিসেম্বর) স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী সাংবাদিকদের বলেন, বিএনপির সাতজন সংসদ সদস্যের পদত্যাগপত্র তিনি পেয়েছেন। এর মধ্যে পাঁচজন নিজেরাই এসেছিলেন। বাকি দুইজনের একজন অসুস্থ, আরেকজন বিদেশে।

সংবিধানের সংশ্লিষ্ট ধারা উল্লেখ তরে স্পিকার বলেন, পদত্যাগপত্র সশরীরে এসে জমা দিতে হবে এমন কোনো বাধ্যবাধকতা নেই। যে পাঁচজন পদত্যাগপত্র নিয়ে এসেছেন তাদের আসন শূন্য হয়ে গেছে। বাকি দুটি আবেদনের সই যাচাই করা হবে এবং তারাই পদত্যাগপত্র পাঠিয়েছেন কি না, সংসদ সচিবালয় তা খোঁজ নেবে।

তবে হারুনুর রশীদ পদত্যাগপত্র পাঠিয়েছেন ইমেইলে, তার সই স্ক্যান করে বসানো হয়েছে। এটি গ্রহণ করা হবে না বিধায় তাকে আবার পদত্যাগপত্র দিতে হবে বলে জানান স্পিকার। 

স্পিকার আরও জানান, সংশ্লিষ্ট আসনগুলো শূন্য ঘোষণা করে সংসদ সচিবালয় প্রজ্ঞাপন জারি করবে।

শনিবার (১০ ডিসেম্বর) রাজধানীর গোলাপবাগ মাঠে বিএনপির ঢাকা বিভাগীয় গণসমাবেশ থেকে পদত্যাগের ঘোষণা দেন বিএনপি দলীয় সাতজন সংসদ সদস্য। 

এরপর রোববার সকালে বগুড়া-৬ আসনের গোলাম মোহাম্মদ সিরাজ, বগুড়া-৪ আসনের মোশাররফ হোসেন, চাঁপাইনবাবগঞ্জ-২ আসনের আমিনুল ইসলাম, ঠাকুরগাঁও-৩ আসনের জাহিদুর রহমান জাহিদ ও সংরক্ষিত মহিলা আসনে রুমিন ফারহানা জাতীয় সংসদে উপস্থিত হয়ে তাদের পদত্যাগপত্র জমা দেন। 

তবে বিদেশে থাকায় হারুন অর রশিদ এবং অসুস্থতার কারণে উকিল আব্দুস সাত্তার সেখানে উপস্থিত হতে পারেননি। তাদের পক্ষে পদত্যাগপত্র জমা দেন সংরক্ষিত আসনের সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা।

আরও পড়ুন: মির্জা ফখরুল-আব্বাসের জামিন শুনানি সোমবার

সংসদের কার্যপ্রণালি বিধিতে (বিধি ১৭৭) বলা আছে, সংসদ থেকে কোনো সদস্য পদত্যাগ করতে চাইলে স্পিকারকে সম্বোধন করে নিজের হাতে লিখিত আবেদনে জানাবেন- তিনি পদত্যাগ করতে চান। পদত্যাগের জন্য সংশ্নিষ্ট এমপি কোনো কারণ দেখাতে পারবেন না। এই বিধির শর্তাংশে বলা আছে, কোনো সদস্য যদি কোনো কারণ উল্লেখ করেন, অপ্রাসঙ্গিক কোনো বিষয়ের অবতারণা করেন, তাহলে স্পিকার নিজের বিবেচনামতে ওই শব্দ বাদ দিতে পারবেন এবং তা সংসদের বৈঠকে পড়ে শোনাবেন।


একাত্তর/এসজে