‘গণহত্যা দিবসকে আন্তর্জাতিকভাবে পালনের চেষ্টা চলছে’

২৫ মার্চ গণহত্যা দিবসকে আন্তর্জাতিকভাবে পালনের প্রচেষ্টা চলছে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল। পাশাপাশি বিদেশে পলাতক বঙ্গবন্ধুর খুনি ও যুদ্ধাপরাধীদের ফিরিয়ে আনার প্রক্রিয়াও চলছে বলে জানিয়েছেন তিনি। 

রোববার (২৬ মার্চ) সকাল ৮টায় স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে রাজারবাগ পুলিশ লাইনে মুক্তিযুদ্ধে শহীদদের স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা জানিয়ে এসব কথা বলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।

তিনি বলেন, ৭১-এ বাংলাদেশে গণহত্যায় ছয় ঘণ্টার মধ্যে কয়েক হাজার বাঙালিকে হত্যা করা হয়েছিল। সেদিন রাতেই বারোটা এক মিনিটে বঙ্গবন্ধু সেই ঘোষণাটি আসলো, তখন থেকেই স্বাধীনতা ঘোষণা হয়।  

তিনি বলেন, এখন স্বাধীনতা ও বিজয় উদযাপনের পাশাপাশি সারা বিশ্বের কাছে আজকে গণহত্যা দিবস হিসেবে পরিচিতি লাভের জন্য আমরা প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি। একইসঙ্গে বঙ্গবন্ধুকে যারা খুন করেছিলেন হত্যা করেছিলেন তাদেরকে আমরা বিচারের মধ্যে এনে শাস্তির ব্যবস্থা করেছি এবং কয়েকজন এখনো পালিয়ে বেড়াচ্ছে। তাদেরকেও আনার জন্য আমরা পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে তারা যেখানে যেখানে আছেন তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করছি এবং আমরা চেষ্টা করছি অচিরেই তাদেরকে নিয়ে আসার জন্য এবং আমাদের এই ফাঁসির রায় কার্যকর করার জন্য।

প্রথমে পুলিশ শহীদ স্মৃতিসৌধে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল। পরে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব (সুরক্ষা) আমিনুল ইসলাম, আইজিপি চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুন, অতিরিক্ত আইজিপি মোহাম্মদ কামরুল হাসান, ডিএমপি কমিশনার খন্দকার গোলাম ফারুক, এসবি প্রধান মনিরুল ইসলাম ও র‍্যাবের মহাপরিচালক খুরশীদ আলমকে সঙ্গে নিয়ে শ্রদ্ধা জানান।

আরও পড়ুন: বীর শহীদদের প্রতি রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা

পরে পুলিশ অফিসারদের সঙ্গে নিয়ে শ্রদ্ধা জানান আইজিপি চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুন। এরপর একে একে বাংলাদেশ পুলিশ সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মনিরুল ইসলাম ও সাধারণ সম্পাদক মো. আসাদুজ্জামানসহ নেতারা, ডিএমপি কমিশনার খন্দকার গোলাম ফারুক, বাংলাদেশ পুলিশ উইমেন নেটওয়ার্ক (বিপিডব্লিউএন) নেতারা পৃথক পৃথকভাবে রাজারবাগ পুলিশ স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন।


একাত্তর/এসজে