নাগরিকত্ব নিয়ে মিয়ানমারে ফেরার দাবি রোহিঙ্গাদের

দেশে ফেরত যাওয়ার দাবিতে আলাদা ৩২টি সমাবেশ করেছে রোহিঙ্গারা। ২০১৭ সালের ২৫ আগস্ট বাংলাদেশে পালিয়ে আসার দিনটিকে 'গণহত্যা দিবস' পালনের অংশ হিসেবে তারা এই সমাবেশ করে। সমাবেশগুলোতে মিয়ানমারের সামরিক জান্তার বিচারের দাবি উঠেছে। পাশাপাশি পূর্ণ নাগরিকত্ব নিয়ে জন্মভূমিতে ফেরত যাওয়ার আকুতি জানান রোহিঙ্গারা। 

রোহিঙ্গা ক্যাম্পের কুতুপালং লম্বাশিরা এলাকা। শুক্রবার সকালে বৃষ্টি উপেক্ষা করে গণহত্যা দিবসের সমাবেশে অংশ নিতে আসে হাজার হাজার রোহিঙ্গা। 

মিয়ানমারের জাতীয় সংগীত গেয়ে সমাবেশ শুরু করে রোহিঙ্গা শিশু কিশোররা। তারপর রোহিঙ্গা সংগীতে শিল্পীরা তুলে ধরেন তাদের ওপর মিয়ানমারের সামরিক জান্তার নির্যাতনের কথা।

একে একে বক্তৃতা করেন রোহিঙ্গা নেতারা। ২৫ আগস্টে তাদের ওপর নির্যাতনের স্মৃতিচারণ করেন, কেউ মিয়ানমার সরকারের বিচার দাবি করেন, প্রায় সবাই দেশে ফেরার আবেদন জানান বিশ্ব দরবারে। 

রোহিঙ্গারা জানান, এমন জীবন তারা চান না। তারা মুক্ত হাওয়ায় স্বাধীনভাবে নিজের দেশে থাকতে চান। 

২০১৭ সালের ২৫ আগস্ট বাংলাদেশে পালিয়ে আসার দিনটিকে গণহত্যা দিবস পালনের অংশ হিসাবে ৩২টি সমাবেশ করেছে রোহিঙ্গারা। প্রতিটি সমাবেশে ছিল কড়া নিরাপত্তা।