এ বছরেই বিআরটি প্রকল্প চালুর পরিকল্পনা

এ বছরই বাস র‍্যাপিড ট্রানজিট (বিআরটি) চালুর পরিকল্পনা করছে কর্তৃপক্ষ। যদিও গাজিপুর থেকে শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমান বন্দর পর্যন্ত পথে বেশ কিছু পয়েন্টে কাজ এখনো শেষ হয়নি। প্রস্তুত হয়নি বাসস্ট্যান্ডগুলো। তারপরও আংশিকভাবেই প্রকল্পটি চালু করার কথা জানালেন প্রকল্পের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সফিকুল ইসলাম।

চলতি বছরেই উদ্বোধন হয় উত্তরা থেকে আগারগাঁও পর্যন্ত মেট্রোরেল। শিগগিরই চালু হতে যাচ্ছে মেট্রোরেলের দ্বিতীয় পর্যায় অর্থাৎ আগারগাঁও থেকে মতিঝিল পর্যন্ত অংশটি। 

এরইমধ্যে আংশিকভাবে চালু হয়েছে ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেস ওয়ে। চূড়ান্ত উদ্বোধনের অপেক্ষায় আরেক মেগা প্রকল্প পদ্মা রেল সেতু। এর মধ্যদিয়ে ঢাকা থেকে ফরিদপুরের ভাঙা পর্যন্ত চলবে ট্রেন। দেশের যোগাযোগ অবকাঠামোর বড় সব প্রকল্পই চলতি বছরের মধ্যে পুরোটা অথবা আংশিক উদ্বোধন করছে সরকার। 

বিআরটি’র কাজ চলছে গেলো প্রায় এক যুগ ধরে। প্রকল্পটি শেষ হলে মাত্র চল্লিশ মিনিটেই গাজিপুর থেকে বিমানবন্দর পর্যন্ত যাতায়াত করা যাবে। এ বছর এই প্রকল্পেরও আংশিক উদ্বোধনের পরিকল্পনা করছে কর্তৃপক্ষ। যদিও প্রায় সাড়ে বিশ কিলোমিটারের এই পথের উড়াল অংশগুলোর কাজ এখনো শতভাগ হয়নি। বাকি আছে ২৫টি বাসস্ট্যান্ড নির্মাণের কাজও। তারপরও কীভাবে এই পথে চলাচলের জন্য উন্মুক্ত করতে যাচ্ছে কর্তৃপক্ষ?

বিআরটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক সফিকুল ইসলাম বলেন, হতে পারে মাঝখানের বিআরটির দুই লেন এবং দুই দিকের মিক্স ট্রাফিকের চার লেন, এয়ারপোর্ট থেকে চৌরাস্তা পর্যন্ত মোট ছয় লেনের কাজ অক্টোবরে শেষ করার পরিকল্পনা রয়েছে।       

সড়কের মাঝ বরাবর বাসস্ট্যান্ডগুলো থেকে যাত্রীদের বের হতে ও প্রবেশ করতে থাকবে ফ্লাইওভার। অনেক পয়েন্টেই সেই কাজ এখনো শুরু করা যায়নি। নির্মাণ হয়নি সার্ভিস এরিয়াও। 

বিআরটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক আরও বলেন, কাজ বিভিন্ন পর্যায়ে রয়েছে। আমরা একটা পাইলট বা নমুনা স্টেশনের কাজ শেষ করবো, সেটি ঠিক হলে সেই উদাহরণ ধরে বাকিগুলো করবো।   

তবে আগামী বছর জুনের মধ্যে পুরো কাজ শেষ হবে বলে আশা করছে কর্তৃপক্ষ। তখন পুরো পথ চালু করতে কোন সমস্যা হবে না বলেও দাবি তাদের।