পেট্রোবাংলা কার্যালয় থেকে চুরি হয়েছে সংস্থাটির চেয়ারম্যানের ল্যাপটপ। চুরি হয়েছে আরও কয়েকজন কর্মকর্তার দপ্তরের কাগজপত্র ও নগদ টাকা। রাষ্ট্রের স্বার্থ বিরোধী কোন চক্র এই ঘটনায় জড়িত থাকতে পারে বলে মনে করছেন বিদ্যুৎ ও জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ। সেই সাথে কর্মকর্তাদের অবহেলাকেও দায়ী করেন তিনি।
দেশের তেল-গ্যাস অনুসন্ধান উৎপাদন ও বিপণন কোম্পানিগুলোর প্রধান কেন্দ্র পেট্রোবাংলা। গত ২৭ আগস্ট প্রতিষ্ঠানটির কয়েকজন কর্মকর্তার দপ্তর থেকে বিভিন্ন রকমের জিনিসপত্র চুরি হয়। ঘটনার দু’দিন পর ২৯ আগস্ট আবারও চুরি।
এবার খোদ চেয়ারম্যানের ল্যাপটপ, পরিচালক অর্থ ও সংস্থাপন বিভাগের মহাব্যবস্থাপকের দপ্তর থেকে জিনিসপত্র খোয়া যায়।
জ্বালানি মন্ত্রণালয়ের বিশেষ নিরাপত্তায় থাকা এই প্রতিষ্ঠানটিতে এর আগেই নিরাপত্তা জোরদার করার নির্দেশ দেয়া হলেও সেটি করা হয়নি। এই ঘটনায় রাষ্ট্রের স্বার্থ বিরোধী কোনো চক্র জড়িত কিনা সেটি খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে জানান বিদ্যুৎ ও জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী।
বিদ্যুৎ ও জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বলেন, তাদের বহুবার বলা হয়েছে। নানানভাবে ষড়যন্ত্র হচ্ছে। যেহেতু সামনে নির্বাচন, সরকারকে চাপে ফেলার জন্য একটা মহল এসব করে থাকতে পারে।
নিরাপত্তার কথা বলে পেট্রোবাংলার তথ্য সম্ভার কাউকে দেখার সুযোগ দেয়া না হলেও, সেখান থেকে কয়েক বস্তা নথি হারানো গেছে বলে জানান জ্বালানি বিশেষজ্ঞ মকবুল-ই-ইলাহী চৌধুরী। এবারের চুরিকে সেই ঘটনার ধারাবাহিকতা বলে মনে করছেন তিনি।
জ্বালানি বিশেষজ্ঞ মকবুল-ই-ইলাহী চৌধুরী বলেন, কয়েক বস্তা ডেটা চুরি হয়েছে। সেগুলো এখন কালেক্ট করতে কতো মিলিয়ন ডলার খরচ করতে হবে, আমি জানি না। তদন্ত করে শুনেছি, এগুলো নাকি ছড়ানো-ছিটানো ছিলো- সুইপাররা নিয়ে বস্তায় করে বিক্রি করছে। এমন একটা সিকিউর জায়গা থেকে কিছু হারানো কি বাইরে থেকে লোকজন এসে করেছে?
এসব ঘটনার সাথে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া জরুরি বলেও জানান তিনি।
জ্বালানি অনুসন্ধানে নতুন-পুরাতন গ্যাস কূপ খুঁড়বে সরকার
কাতার থেকে আরও এলএনজি কেনার চুক্তি