বাজারে দৃশ্যমান কোনো সিন্ডিকেট না থাকায় চাইলেই তাদেরকে চট করে ধরা যায় না বলে মন্তব্য করেছেন পরিকল্পনা মন্ত্রী এম এ মান্নান। তবে ‘অধরা’ সিন্ডিকেট বাজারের ভিতরে ‘থাকতেও পারে’ বলে জানিয়েছেন তিনি।
শুক্রবার এক অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের একথা বলেন তিনি।
এক প্রশ্নের জবাবে পরিকল্পনামন্ত্রী বলেন, ‘সিন্ডিকেট যদি দেখতে পারতাম, ধরতে পারতাম, তাহলে ব্যবস্থা নিতে পারতাম। সিন্ডিকেট ধরা যায় না। অধরা থেকে যায়। তবে হ্যাঁ বাজারের ভিতরেই থাকতে পারে হয়ত।’
এম এ মান্নান বলেন, ‘উদীয়মান অর্থনীতিতে এই ধরনের কিছু কিছু ‘বিকৃতি’ থাকবেই এবং সুযোগটা নিবেই লাভের বা মুনাফার এবং সেটা নিচ্ছে।’
রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে আন্তর্জাতিক বাজারের পাশাপাশি বাংলাদেশেও প্রায় সব ধরনের পণ্যমূল্য বেড়ে যাওয়ার প্রেক্ষাপটে ব্যবসায়ীদের সিন্ডিকেট নিয়ে আলোচনা হচ্ছে।
দেশের বাজারের দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ রাখতে নিয়মিত তদারকি চালানোর পাশাপাশি ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর থেকে অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে নিয়মিত।
পরিকল্পনামন্ত্রী মান্নান বলেন, ‘অর্ডারে আছে, সেটা মাঠে নেমে অ্যাপ্লাই করতে হবে। এখানে আমাদের কিছু কিছু ঘাটতি মাঝে মাঝে হয়ে যায়। নিয়ামক সংস্থাগুলি আছে।
‘কয়েকটা নিয়ামক সংস্থা একেবারে নতুন। এই… আমাদের সরকারে সময় দুবছর আগে সৃষ্টি করা হয়েছে। তাদেরও দাঁত গজাতে হবে তো। তারা আস্তে আস্তে অভিজ্ঞ হচ্ছে, কাজ করছে।’
তবে বাজারে গিয়ে ‘দোকানে গিয়ে লাঠি মেরে বা পিটিয়ে’ দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ করা যায় না বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
বাজার নিয়ন্ত্রণে সরকার চেষ্টা চালাচ্ছে জানিয়ে মান্নান বলেন, অগ্রহায়ণে নতুন ধান উঠলে বাজারে চড়া জিনিসপত্রের দাম কমে আসবে।