বাজার সিন্ডিকেট নিয়ন্ত্রণে বেসরকারিভাবে ৮৩ হাজার মেট্রিক টন চাল আমদানির অনুমতি দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন খাদ্য সচিব মো: ইসমাইল হোসেন।
বৃহস্পতিবার সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান তিনি। বলেন, ৮৩ হাজার টনের মধ্যে সিদ্ধ চাল ৪৯ হাজার ও আতপ চাল ৩৪ হাজার টন।
প্রথম পর্যায়ে ৩০টি প্রতিষ্ঠানকে আমদানির অনুমতি দেয়া হয়েছে বলে জানিয়ে খাদ্য সচিব বলেন, আরো কয়েকটি প্রতিষ্ঠানকেও এমন অনুমোদন দেয়া হবে।
তিনি জানান, বাংলাদেশের প্রতিদিন চালের চাহিদা এক লাখ মেট্রিক টন। মূলত বাজার সিন্ডিকেটকে নিয়ন্ত্রণের জন্য চাল আমদানির কৌশল নেওয়া হয়েছে।
৩০টি প্রতিষ্ঠানকে হঠাৎ করে চাল আমদানির অনুমোদন দেবার কারণ সম্পর্কে ইসমাইল হোসেন বলেন, আমনের মৌসুম শেষ এবং বোরো চাষ শুরু হবে।
‘মাঝে এক থেকে দেড় মাসের একটি গ্যাপে চালের দাম বাড়ানোর পাঁয়তারা হতে পারে। তাই আমদানির অনুমোদন,’ যোগ করেন খাদ্য সচিব।
চাল আমদানির বিষয়ে মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মো. হাবিবুর রহমান হোছাইনীর সই করা বিজ্ঞপ্তিও দেওয়া হয়েছে।
এতে বলা হয়েছে, অনুমোদন পাওয়া আমদানি কারকদের ২৫ এপ্রিলের মধ্যের চাল দেশে বাজারজাত করতে হবে। আমদানি করা চাল পুনরায় প্যাকেটজাত না করে বিক্রি করতে হবে আমদানি করা বস্তাতেই।
চাল আমদানির শর্তে বলা হয়েছে, আমদানি করা চালের পরিমাণ, গুদামজাত ও বাজারজাত করার তথ্য সংশ্লিষ্ট জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রককে জানাতে হবে। এছাড়া বরাদ্দের অতিরিক্ত আইপি (ইমপোর্ট পারমিট) জারি করা যাবে না।
এবার আমনের ভরা মৌসুমেও দেশের বাজারে চালের দাম বাড়তি। সাধারণত এ সময়ে চালের দাম কমলেও এবার বেড়েছে। দেশজুড়ে অভিযানে নেমে সরকারি সংস্থা ও প্রশাসন চাল মজুদের দায়ে বিভিন্ন চাল ও মিল মালিকসহ ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠানকে জরিমানাও করেছে।
বাঁধের ফাটলে শত শত হেক্টরের ধান তলিয়ে যাওয়ার শঙ্কা