লক্ষ্মীপুর-৩ ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনে উপনির্বাচনে অনিয়ম প্রমাণিত হওয়ায় তিনটি কেন্দ্রের ফলাফল বাতিল করে চূড়ান্ত ফলাফল ঘোষণার সিদ্ধান্ত নিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। অনিয়মের জন্য প্রিজাইডিং ও সহকারী প্রিজাইডিং কর্মকর্তার বিরুদ্ধে মামলার নির্দেশও দেওয়া হয়েছে।
সোমবার ইসি বচিব মো. জাহাংগীর আলম সাংবাদিকদের এসব তথ্য জানান।
গত ৫ নভেম্বর লক্ষ্মীপুর-৩ ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনে উপ-নির্বাচন হয়। দুই আসনেই ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের ‘নৌকা’ প্রতীকের প্রার্থী জয়ী হন। এই দুই আসনের ভোটের অনিয়ম নিয়ে গণমাধ্যমে বিভিন্ন খবর ও ছবি প্রকাশ হয়।
পরে ইসি ওই সব অভিযোগ আমলে নিয়ে নির্বাচনের ফলাফলের গেজেট প্রকাশ স্থগিত করে।
অভিযোগের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার ও জেলা নির্বাচন কর্মকর্তাকে তদন্ত করার নির্দেশনা দেয় ইসি।
গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশে (আরপিও) সংশোধনী এনে একটি নতুন ধারা যুক্ত করেছে। যেখানে বলা আছে, রিটার্নিং কর্মকর্তা ভোটের ফলাফল ঘোষণা করার পরও যদি কোনো ব্যক্তি সংক্ষুব্ধ হন অথবা কোনো যৌক্তিক তথ্য উপাত্ত নির্বাচন কমিশনের গোচরীভূত হয় নির্বাচন কমিশন ওই আসনের গেজেট স্থগিত রেখে ওই অভিযোগটি আমলে নিতে পারবে।
সোমবার ইসি সচিব বরেণ, লক্ষীপুর-৩ ও ব্রাম্মণবাড়িয়া-২ উপ নির্বাচনে অনিয়মের বিষয়ে তদন্ত রিপোর্ট প্রকাশ হয়েছে। অনিয়মের সত্যতা পাওয়া গেছে। লক্ষীপুরের যে কেন্দ্রে জাল ভোট দেয়ার অভিযোগ ছিলো, সেই কেন্দ্রের ভোট বাতিল করা হয়েছে। ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় যে কেন্দ্র নিয়ে অভিযোগ ছিলো তা বাতিল করা হয়েছে। জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে। ওইসব কেন্দ্রর ভোট বাদ দিয়ে দুই প্রতিদ্বন্দ্বী ভোট হিসাব করে নতুন করে ফলাফল ঘোষণা করা হবে।
আগামী দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনের তফসিল নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে ইসি সচিব বলেন, মাসের প্রথমার্ধের আরও কয়েকদিন বাকি আছে। তফসিলের জন্য অপেক্ষা করুন।