ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে রাজধানীসহ সারাদেশে বৃষ্টি

শক্তি সঞ্চার করে বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট গভীর নিম্নচাপটি ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিয়েছে। ‘মিধিলি’ নামের ঘূর্ণিঝড়টি শুক্রবার সন্ধ্যার মধ্যে দেশের ১১টি জেলায় আঘাত হানতে পারে বলে জানাচ্ছে আবহাওয়া পূর্বাভাস। আর এরই প্রভাবে মধ্যরাত থেকে রাজধানী ঢাকাসহ সারাদেশে শুরু হয়েছে বৃষ্টি।

আবহাওয়া অফিস জানাচ্ছে, সারাদেশে বৃষ্টির অনুপাত সমান নয়। দেশের উপকূলীয় অঞ্চলগুলোতে ভারী বৃষ্টি হয়েছে এবং হচ্ছে। বেশিরভাগ জেলায় হালকা থেকে মাঝারি এবং রাজধানী ঢাকায় থেমে থেমে গুড়ি গুড়ি বৃষ্টি দেখা যাচ্ছে। সঙ্গে হালকা শীতল বাতাসও বইছে।

এদিকে সকাল থেকে রাজধানীর বিভিন্ন সড়কে ঘুরে দেখা যায়, বৃষ্টির কারণে বিপাকে পড়েছেন রাজধানীর কর্মজীবী মানুষ। রাজনৈতিক দলগুলোর হরতাল-অবরোধের মতো কোনো কর্মসূচি না থাকলেও সকালে রাস্তায় যানবাহনের চাপ তুলনামূলক কম দেখা যায়। বিভিন্ন বাসস্ট্যান্ডগুলোতে ছাতা মাথায় বাসের আসায় দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা গেছে অনেককেই। বাস তুলনামূলক কম ছিলো সকালে।

আবহওয়ার পূর্বভাসে বলা হয়েছে, ঘূর্ণিঝড়টি শুক্রবার সন্ধ্যা থেকে মধ্যরাত নাগাদ বাংলাদেশ অতিক্রম করবে। এটি বরগুনা, পটুয়াখালী, পিরোজপুর, ভোলা, নোয়াখালী, লক্ষ্মীপুর, ফেনী, সাতক্ষীরা, খুলনা, বাগেরহাট ও চট্টগ্রামে আঘাত হানার সম্ভাবনা রয়েছে।

এদিকে সাগর উত্তাল থাকায় চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রা সমুদ্র বন্দরকে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত নামিয়ে ৪ নম্বর স্থানীয় হুঁশিয়ারি সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।

বিশেষ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে -এটি শুক্রবার সকাল ৬টায় চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দর থেকে ৪৭০ কি.মি. দক্ষিণ-পশ্চিমে, কক্সবাজার সমুদ্রবন্দর থেকে 8৪৫ কি.মি. দক্ষিণ-পশ্চিমে, মোংলা সমুদ্র বন্দর থেকে ৩৩০ কি.মি. দক্ষিণ-পশ্চিমে এবং পায়রা সমুদ্রবন্দর থেকে ৩৩০ কি.মি. দক্ষিণ-পশ্চিমে অবস্থান করছিল। এটি আরও উত্তর-উত্তরপূর্ব দিকে অগ্রসর ও ঘনীভূত হতে পারে।