দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর উপ-মহাপরিচালক, পরিচালক ও জেলা কমান্ড্যান্টদের প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে।
শুক্রবার রাজধানীর আগারগাঁও নির্বাচনী প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট (ইটিআই) ভবনে এ প্রশিক্ষণের আয়োজন করে বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন (ইসি)।
আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর আট রেঞ্জের উপ-মহাপরিচালক, কুমিল্লা রেঞ্জের পরিচালক ও ৬৪ জন জেলা কমান্ড্যান্ট প্রশিক্ষণে অংশ নেন।
প্রশিক্ষণে সমন্বয়কারী ছিলেন- বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর সদর দপ্তরের পরিচালক (অপারেশনস) সৈয়দ ইফতেহার আলী এবং উপ-পরিচালক (অপারেশনস) কানিজ ফারজানা শান্তা।
সংবিধান, নির্বাচন কমিশন এবং জাতীয় সংসদ নির্বাচনের গুরুত্ব ও নির্বাচন কমিশনের ভূমিকার ওপর সেশন পরিচালনা করেন নির্বাচন সচিবালয়ের সচিব মো. জাহাংগীর আলম।
গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ-১৯৭২ (সংশোধনীসহ), নির্বাচন পরিচালনা বিধিমালা-২০০৮, নির্বাচন কর্মকর্তা (বিশেষ বিধান) আইন-১৯৯১ -এর ওপর আলোচনা করেন নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের অতিরিক্ত সচিব অশোক কুমার দেবনাথ।
ভোটকেন্দ্রে আনসার ও ভিডিপি সদস্য মোতায়েন ও সমন্বয়, রিটার্নিং অফিসার ও সহকারী রিটার্নিং অফিসার এবং প্রিজাইডিং অফিসারের সঙ্গে আনসার ও ভিডিপি সদস্যদের সমন্বয় ও যোগাযোগের সেশন পরিচালনা করেন যুগ্মসচিব (প্রশাসন ও অর্থ) মো. মনিরুজ্জামান তালুকদার।
ভোটকেন্দ্রে প্রিজাইডিং অফিসারের নির্দেশনা সাপেক্ষে আনসার ও ভিডিপি সদস্যদের ব্যালট পেপার, ব্যালট বাক্সের নিরাপত্তা প্রদান, নির্বাচনী দায়িত্ব সমন্বয় সংক্রান্ত নির্দেশনাবলীর ওপর সেশন পরিচালনা করেন যুগ্মসচিব (নির্বাচন ব্যবস্থাপনা-২) ফরহাদ আহাম্মদ খান।
আনসার ও ভিডিপি গ্রাম প্লাটুনের দায়িত্ব ও কর্তব্য, নির্বাচনী মালামাল সংগ্রহ ভোট পূর্ব, ভোট চলাকালীন ও ভোট গণনাকালীন এবং প্রত্যাবর্তনকালীন দায়িত্ব ও কর্তব্য, ভোটগ্রহণ কর্মকর্তাদের সাথে সমন্বয় ও যোগাযোগ, প্রিজাইডিং অফিসারের সঙ্গে আনসার ও ভিডিপি সদস্যদের নির্ধারিত সময়ে ও স্থানে উপস্থিত সংক্রান্ত নির্দেশনা সম্পর্কিত বিষয়ে প্রশিক্ষণ প্রদান করেছেন বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর উপ-মহাপরিচালক (অপারেশনস) মো. ফখরুল আলম।
নির্বাচন প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক এস এম আসাদুজ্জামান ভোটকেন্দ্রে আনসার ও ভিডিপি সদস্যদের করণীয় ও বর্জনীয় বিষয়ের ওপর সেশন নেন।
দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের জন্য এবার সাড়ে ৭ লাখ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য নিয়োজিত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ইসি। এর মধ্যে আনসার সদস্য থাকার কথা পাঁচ লাখ ১৬ হাজার।
আনসারের জন্য জনপ্রতি ৬৩৭ টাকা থেকে এক হাজার টাকা হিসেবে বরাদ্দ চাওয়া হয়েছে ৩৬৬ কোটি ১২ লাখ টাকা। এর সঙ্গে যোগ হবে খাবার ও ফুয়েলের মতো খরচ।
দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ৩০০ আসনের ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে আগামী ৭ জানুয়ারি। ১৭ ডিসেম্বরের মধ্যে মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করা যাবে। প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হবে ১৮ ডিসেম্বর।