‘আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে গাইবান্ধা-৫ (ফুলছড়ি ও সাঘাট) আসনের ভোট স্থগিত করা হয়েছে’ এমন খবরকে ভিত্তিহীন বলে জানালেন নির্বাচন কমিশনের অতিরিক্ত সচিব অশোক দেবনাথ। তিনি বলেন, সব নির্বাচনী এলাকায় ভোটের পরিবেশ স্বাভাবিক রয়েছে।
শুক্রবার রাতে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে এক বৈঠকে তিনি একথা বলেন।
অতিরিক্ত সচিব বলেন, আজ ভোটের প্রচার শেষ হলো। নির্বাচনী প্রস্তুতি সম্পন্ন। কিছু কিছু কেন্দ্রে ব্যালট পেপারসহ (প্রায় চার হাজার কেন্দ্র) সরঞ্জাম যাবে। আর সকালে সব কেন্দ্রে সরঞ্জাম যাবে।
এদিকে সন্ধ্যায় নির্বাচন কমিশনের জনসংযোগ পরিচালক মো. শরিফুল ইসলামের সই করা এক বিজ্ঞপ্তিতেও বলা হয়, ‘প্রকৃতপক্ষে মাননীয় কমিশন আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ৩৩ গাইবান্ধা-৫ আসনের নির্বাচনের ভোটগ্রহণ বন্ধ করা সংক্রান্ত কোনো সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেননি। এ তথ্যটি অসত্য ও ভিত্তিহীন।”
‘ওই তথ্য সঠিক নয়’ জানিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী, ভোটারসহ সংশ্লিষ্ট সবাইকে বিভ্রান্ত না হওয়ার আহবান জানায় নির্বাচন কমিশন। সেই সঙ্গে এ ধরনের বিভ্রান্তিমূলক সংবাদ প্রচার না করার জন্য অনুরোধ জানায় ইসি।
আসন্ন ভোটে নির্বাচনে দায়িত্ব পালনে কর্মকর্তাদের পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ এনে একটি রিট করেন ফারজানা বুবলী।
রিট আবেদনের শুনানির পর বুধবার বিচারপতি মো. ইকবাল কবীর ও বিচারপতি এস এম মনিরুজ্জামানের হাইকোর্ট বেঞ্চ সংসদ নির্বাচনের দায়িত্ব থেকে গাইবান্ধার সাঘাটার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে সরানোর নির্দেশ দেন।
গাইবান্ধা-৫ আসনে অন্য প্রার্থীরা হলেন- শামসুল আজাদ শীতল (ঈগল পাখি), বিকল্পধারা বাংলাদেশের জাহাঙ্গীর আলম (কুলা) এবং এনপিপির ফারুক মিয়া (আম)। গত ৩ জানুয়ারি নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দেন এ আসনের জাতীয় পার্টির (জাপা) প্রার্থী আতাউর রহমান সরকার।