ঢাকা সফররত মার্কিন পর্যবেক্ষক দল বরাত দিয়ে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী তাজুল ইসলাম জানিয়েছেন, দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন বিরোধী প্রোপাগান্ডায় সাত মিলিয়ন ডলার ব্যয়ে লবিস্ট নিয়োগ করা হয়েছে। তবে কারা এটা করেছে সেটা পরিষ্কার করেননি পর্যবেক্ষকরা।
মঙ্গলবার সকালে, সাবেক মার্কিন কংগ্রেসম্যান এবং নির্বাচনী পর্যবেক্ষক জিম বেটসের সঙ্গে বৈঠকের পর তিনি এসব কথা সাংবাদিকদের জানান।
তাজুল ইসলাম বলেন, উনারা নির্বাচন পর্যবেক্ষণ করে বলেছে সুষ্ঠু ভোট হয়েছে। নির্বাচনে কোথাও কোনো রকম গোলযোগ হয়নি। নির্বাচন সুষ্ঠুভাবে শেষ হয়েছে।
পর্যবেক্ষক দলটি মন্ত্রীকে জানিয়েছেন, ভোট গুণতে যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়াতে এক মাসের মতো সময় লাগে। ই-ভোট, পোস্টাল ব্যালটে ভোট এবং সরাসরি গিয়ে ভোট দিতে হয়। আর এখানে আট ঘণ্টার মধ্যে এত লোকের ভোট দেওয়াকে প্রশংসনীয় বলেছেন তারা।
যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র বিভাগ সংসদ নির্বাচন নিয়ে অসন্তোষ জানিয়েছে, এই বিষয়ে কোন আলোচনা হয়েছে কি না, তা জানতে চাইলে স্থানীয় সরকারমন্ত্রী বলেন, তারা বলেছেন ইলেকশন অবাধ এবং সুষ্ঠু হয়েছে। তবে তারা মনে করে এখানে কিছু লবিস্ট ফার্মকে নিয়োগ করা হয়েছে সাত মিলিয়ন ডলার দিয়ে।
এ প্রসঙ্গে তিনি আরও বলেন, কথাটা তারা বলেছেন, কোট করেছেন। তাদের কাছে তথ্য আছে। সেগুলো দিয়ে কিছু রকম প্রোপাগান্ডা সৃষ্টি করার চেষ্টা করা হচ্ছে। বাংলাদেশের অভূতপূর্ব পরিবর্তনকে সমর্থন করেন তারা। মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন হয়েছে, এই কথাটা বলেছেন তারা।
কারা লবিস্ট নিয়োগ করেছে জানতে চাইলে মন্ত্রী তাজুল ইসলাম বলেন, এটা সুনির্দিষ্ট করে তারাও বলেনি, আমিও জিজ্ঞেস করিনি। বাংলাদেশ স্বাধীনতা সার্বভৌমত্ব দেশ, নির্বাচন অনুষ্ঠানে আমাদের সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা আছে। সেই অনুযায়ী নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে স্বাধীন নির্বাচন কমিশনের অধীনে।