দ্রব্যমূল্যের লাগাম টানা, সরকারি সেবা সহজ করা, দুর্নীতি ও ঘুষ বাণিজ্যের অবসান আর বেকারত্ব দূর করা নতুন সরকারের কাছে অন্যতম চাওয়া বলে জানালেন, নানা শ্রেণি-পেশার মানুষ।
তারা বলছেন, সরকারে কে এলো বা কে থাকলো তার চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সাধারণ মানুষের ভালো থাকা। নতুন সরকার সাধারণ মানুষের জীবনমান উন্নয়নে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেবে এটাই তাদের চাওয়া।
সাত জানুয়ারি নির্বাচনে নিরঙ্কুশ জয় পেয়ে টানা চতুর্থবার সরকার গঠন করেছে আওয়ামী লীগ। বৃহস্পতিবার শপথের পালাও শেষ করেছেন নতুন মন্ত্রীরা। এবার তাদের কাজে ঝাঁপিয়ে পড়ার পালা।
সাধারণ মানুষ বলছেন, ক্ষমতায় কে এলো বা কারা মন্ত্রী হলেন সেটি তাদের কাছে বড় বিষয় নয়। বরং গুরুত্বপূর্ণ হলো মানুষের স্বস্তির জন্য তারা কি কি উদ্যোগ নিলেন।
তবে নতুন মন্ত্রিসভায় যোগ হয়েছে বেশ কিছু নতুন মুখ। মন্ত্রিপরিষদের এই পরিবর্তন দেশ ও দশের কল্যাণে নতুন ও ভালো কিছু বয়ে আনবে বলে আশা সাধারণ মানুষের।
যারা মনে করেন, নির্বাচন একতরফা হয়েছে তাদের চাওয়া একটি সুষ্ঠু নিরপেক্ষ নির্বাচন ব্যবস্থা গড়ে তোলা। যাতে নির্বাচন নিয়ে অসন্তোষের একই বৃত্তে জাতিকে পাক খেতে না হয়।
বাজারে অস্থির মানুষের জীবন যাপন। পণ্যের বাড়তি দামে কমেছে মানুষের প্রকৃত আয়। তাই বাজারে স্বস্তি প্রতিষ্ঠাকে এক নম্বরে রাখছেন সীমিত আয়ের মানুষ।
নির্বাচনের আগে একটি ইশতেহার ঘোষণা করেছে আওয়ামী লীগ। সেটির শতভাগ বাস্তবায়ন দেখতে চান সাধারণ মানুষ।
অবশ্য রাজনীতি কিংবা সরকারের পরিবর্তন নিয়ে মাথা ব্যথা নেই খেটে খাওয়া মানুষদের। তাদের চাওয়া দিন শেষে পরিবার নিয়ে দু’বেলা খেয়ে পরে বেঁচে থাকতে পারা।