খাদ্য উৎপাদন বাড়াতে পাঁচ মন্ত্রণালয়ের সমন্বয়ের তাগিদ

বিশ্বজুড়ে চলছে যুদ্ধ পরিস্থিতি। এতে টালমাতাল বৈশ্বিক বাজার ব্যবস্থা। এমন অস্থিরতা আর করোনার মতো দুর্যোগেও দেশ রক্ষা করেছে ধানের উৎপাদন। তাই ধানসহ অন্য কৃষি উৎপাদন বাড়াতে কৃষি মন্ত্রণালয়ের পাশাপাশি খাদ্য, প্রাণি সম্পদ, পানি ও পরিবেশ মন্ত্রণালয়ের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা আছে। এই পাঁচ মন্ত্রণালয়ের সমন্বিত উদ্যোগে সব পর্যায়ে প্রযুক্তি নির্ভর সরবরাহ চালুর তাগিদ দিলেন অর্থনীতিবিদরা। 

জাতিসংঘ খাদ্য সংস্থার হিসাবে, ২০১০ থেকে ২০২২ সাল পর্যন্ত সময়ে বাংলাদেশের খাদ্যপণ্য আমদানি প্রায় দুই শতাংশ বেড়ে ১১ দশমিক ২ শতাংশ হয়েছে। যা বিশ্বে বাংলাদেশকে খাদ্যপণ্য আমদানীর তৃতীয় শীর্ষ দেশে পরিণত করেছে।

ইমেজ: একাত্তর

এফএও বলছে, বাংলাদেশ ধান উৎপাদনে বিশ্বে তৃতীয় স্থানে আছে। অন্যদিকে আলু, মসুর ডাল, পেঁয়াজসহ কুমড়া ফুলকপি-বাধাকপি, চা, বিভিন্ন ধরনের ফলসহ মোট ২২টি কৃষি পণ্য উৎপাদনে বাংলাদেশ বিশ্বের শীর্ষ দশে থাকা দেশ। ১৭ কোটি মানুষের রক্ষা কবজ, কৃষি উৎপাদন অব্যহাত ভাবে এগিয়ে নেয়া নতুন সরকারের কৃষি মন্ত্রণালয়ের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হিসাবে দেখছেন অর্থনীতিবিদরা। 

ইমেজ: একাত্তর

তবে মানুষের আয় বৃদ্ধি ও জীবন যাত্রার মানের পরিবর্তনের পাশাপাশি মুল্যস্ফীতির যাঁত্রাকলে খাবি খাচ্ছে সাধারণ মানুষ। তাই কৃষি মন্ত্রণালয়ের সাথে খাদ্য, মৎস্য ও প্রাণী সম্পদ, বাণিজ্য,পানি, জ্বালানী ও পরিবেশ মন্ত্রণালয়ের পরিকল্পিত উদ্যোগ জরুরী বলছেন তারা।

প্রতি বছর এক শতাংশ হারে কৃষি জমি অকৃষিখাতে চলে যাচ্ছে, যা খাদ্য নিরাপত্তার জন্য হুমকি বলেও মনে করেন অর্থনীতিবিদরা।