দেশে করোনা টিকা প্রদানের বয়স কমপক্ষে আঠারো বছর করার সুপারিশ করেছে কোভিড-১৯ সংক্রান্ত জাতীয় কারিগরি পরামর্শক কমিটি। সরকারি নিয়ম অনুযায়ী এখন শুধু ৩৫ বছরের বেশি বয়সীরাই নিবন্ধন করতে পারছেন।
বুধবার (১৪ জুলাই) জাতীয় কারিগরি পরামর্শক কমিটির অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ সহিদুল্লা স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সরকারের অক্লান্ত পরিশ্রমের কারণে দেশে অক্সফোর্ড অ্যাস্ট্রাজেনেকা টিকার পর ফাইজার, মডার্না এবং সিনোফার্ম থেকেও কোভিড-১৯ এর টিকা-প্রাপ্তি নিশ্চিত হয়েছে।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে টিকার আওতায় দ্রুত আরও বেশি মানুষকে আনার উদ্দেশ্যে এর বয়সসীমা ১৮তে নামিয়ে আনা, এনআইডিবিহীন জনসাধারণকে টিকার আওতায় আনা, রেজিস্ট্রেশন সহজীকরণ ইত্যাদি বিষয়ে সরকারকে অতি দ্রুত সিদ্ধান্ত গ্রহণের অনুরোধ করা হয়।
এছাড়া জাতীয় কারিগরি পরামর্শক কমিটির ৪১তম অনলাইন সভায় কমিটির সদস্যদের উপস্থিতিতে আরও পাঁচদফা সুপারিশ প্রস্তাব করা হয়। এতে প্রস্তাবনা রাখা হয় গরুর হাট বন্ধের বিষয়ে। জোর দেয়া হয় অনলাইনে পশুর হাটের দিকে।
তাছাড়া চলমান পরিস্থিতিতে লকডাউন শিথিল করার সরকারি সিদ্ধান্তে কমিটি গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে। জাতীয় কারিগরি পরামর্শক কমিটি চলমান কঠোর লকডাউন আরও অন্তত ১৪ দিন বাড়ানোর সুপারিশ করে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সরকার সারাদেশে কোভিড-১৯ পরীক্ষার সংখ্যা ধীরে ধীরে বৃদ্ধি করছে, যা সন্তোষজনক। জাতীয় পরামর্শক কমিটির পূর্ববর্তী সভার সুপারিশের প্রেক্ষিতে বেসরকারি কোভিড পরীক্ষার মূল্য পুনরায় নির্ধারণ করায় সভায় সরকারকে ধন্যবাদ জানানো হয়।
আরও পড়ুন: ঈদ পরবর্তী বিধিনিষেধেও পোশাক কারখানা চালু রাখতে চান মালিকেরা
দৈনিক টেস্টের সংখ্যা আরও বৃদ্ধির জন্য বেসরকারি পর্যায়েও টেস্ট বৃদ্ধি প্রয়োজন, এ লক্ষ্যে টেস্টের জন্য প্রয়োজনীয় কিটের দাম আরও হ্রাস পাওয়ায় পরীক্ষার মূল্য কমিয়ে ১০০০-১৫০০ টাকার মধ্যে নির্ধারণের পরামর্শ দেয়া হয়।
একাত্তর/আরএ