টাঙ্গাইলের তাঁতের শাড়ির জিআই নিবন্ধন শিগগিরই

কয়েকদিনের মধ্যেই ভৌগলিক নির্দেশক (জিআই) পণ্য হিসেবে নিবন্ধন পেতে যাচ্ছে টাঙ্গাইলের তাঁতের শাড়ি। একই সঙ্গে দেশের জিআই পণ্য হিসেবে স্বীকৃতির জন্য যে সব আবেদন প্রক্রিয়াধীন আছে তা দ্রুত সম্পাদনের জন্য সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দিয়েছে শিল্প মন্ত্রণালয়।

সোমবার শিল্প মন্ত্রণালয়ের এক বিজ্ঞপ্তিতে সিনিয়র সচিব জাকিয়া সুলতানা এ নির্দেশনা দিয়েছেন বলে জানা গেছে।

বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, শিল্প সচিব মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে জিআই পণ্যের স্বীকৃতি সংক্রান্ত এক জরুরি সভায় এ নির্দেশনা দেন। এসময় শিল্প মন্ত্রণলয় এবং পেটেন্ট, শিল্প-নকশা ও ট্রেডমার্কস অধিদপ্তরের (ডিপিডিটি)  সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসক ও অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) টাঙ্গাইল থেকে অনলাইনে ভার্চুয়ালি সভায় সংযুক্ত হন।

‘এখনও ঝুলে আছে লটকন, সাগর কলা, আনারস, মহিষের কাঁচা দুধের দই’

শিল্প সচিব বলেন, টাঙ্গাইলের তাঁতের শাড়ি ছাড়াও মধুপুরের আনারস, নরসিংদির লটকন, সাগর কলা, ভোলার মহিষের কাঁচা দুধের দই ইত্যাদিসহ জিআই পণ্যের স্বীকৃতির জন্য  যে সব আবেদন এখনও নিষ্পন্ন হয়নি তা তা দ্রুত সম্পাদন করতে হবে। 

তিনি জানান, এ পর্যন্ত বাংলাদেশের ২১টি পণ্যকে জিআই স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে।  দেশের ৬৪টি জেলা থেকে এক বা একাধিক পণ্য বা বস্তু খুঁজে বের করে আবেদন করার জন্য জেলা প্রশাসকদের অনুরোধ করা হয়েছে। জিআই পণ্য হিসেবে স্বীকৃতির পর এগুলোকে শিল্প মন্ত্রণালয়ের পক্ষে থেকে ব্রান্ডিং এর উদ্যোগ নেওয়া হবে।

সভায় টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসক জানান, টাঙ্গাইল শাড়ির জিআই পণ্য হিসেবে নিবন্ধনের আবেদন যথাযথভাবে ডকুমেন্টেশন করে দুই একদিনের মধ্যে জমা দেয়া হবে। ইতিমধ্যে আবেদন ফি দিতে পে-অর্ডার করা হয়েছে।

সভায় জানানো হয়, ইতিমধ্যে ভারত টাঙ্গাইল শাড়িকে তাদের জিআই পণ্য ঘোষণা করায় আমরা আইনি বিষয় নিয়ে চিন্তা ভাবনা করছি। প্রয়োজনে বিশ্ব মেধাসম্পদ সংস্থা বা ওয়ার্ল্ড ইন্টেলেকচুয়াল প্রপার্টি অর্গানাইজেশনের মাধ্যমে  (ডাব্লিউআইপিও) সমাধানের জন্য উদ্যোগ নেওয়া হবে।