ঈদের আগে বিধিনিষেধ শিথিলের সময় এবার মসজিদ ছাড়াও ঈদগাহ ও খোলা জায়গায় ঈদুল আযহার জামাত করার অনুমতি দিয়েছে সরকার। তবে, প্রস্তুতির অভাবে এবারও জাতীয় ঈদগাহে ঈদের জামাত হচ্ছে না।
ধর্মমন্ত্রী জানিয়েছেন, বন্ধ জায়গায় করোনা সংক্রমণের ঝুঁকি বেশি থাকায় এবার মসজিদের পাশাপাশি খোলা জায়গায় ঈদের জামাত করতে উম্মুক্ত করে দেওয়া হয়েছে। তবে সেখানেই জামাত হোক না কেন স্বাস্থ্যবিধি কঠোরভাবে প্রতিপালনের কথাও বলেছের তিনি।
করোনার কারণে সবশেষ তিনটি ঈদের নামাজ ঈদগার বদলে মসজিদেই অনুষ্ঠিত হয়েছে। সংক্রমণ ছড়ানোর শংকায় এতোদিন খোলা জায়গায় ঈদ জামাতের উপর নিষেধাজ্ঞা ছিলো ধর্ম মন্ত্রনালয়ের।
যদিও শুরু থেকেই বিশেষজ্ঞরা বলছেন বদ্ধ জায়গার চেয়ে বরং খোলা জায়গাতেই সংক্রমণের ঝুঁকি কম। সবশেষ রোজার ঈদে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর খোলা জায়গায় ঈদ জামাতের সুপারিশ করলেও নামাজ হয়েছে মসজিদেই।
তবে এবার মসজিদের পাশাপাশি ঈদগাহ বা খোলা জায়গায় ঈদ জামাতের পরামর্শ দিচ্ছে মন্ত্রনালয়। ধর্মমন্ত্রী মো. ফরিদুল হক খান বলেন, স্বাস্থ্যবিধি মেনে যেখানেই জামাত আয়োজন সম্ভব সেখানেই ঈদের নামাজ পড়া যাবে।
আরও পড়ুন: টস হেরে ব্যাটিংয়ে বাংলাদেশ
তবে স্বাস্থ্যবিধির ব্যাপারে সর্বোচ্চ সতর্কতার আহ্বান জানিয়েছেন ধর্মমন্ত্রী। সব মুসল্লিকে মাস্ক পরতে হবে। হাত ধোয়া ও স্যানিটাইজারের ব্যবস্থা রাখতে হবে।
নামাজের কাতারে যথেষ্ট দূরত্ব থাকতে হবে। নামাজের পর হাত মেলানো বা কোলাকুলি করা যাবে না বলেও সতর্ক করে দিয়েছেন মন্ত্রী।
স্বাভাবিক সময়ে ঈদের প্রধান জামাত হয় জাতীয় ঈদগায়। কিন্তু করোনার কারণে সবশেষ তিন ঈদে তা হয়নি। কেন্দ্রীয় ঈদগাহের ব্যবস্থাপনার দায়িত্ব ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের।
তবে, প্রস্তুতির অভাবে এবারের ঈদেও জাতীয় ঈদগাহে ঈদের নামাজ হচ্ছে না বলে নিশ্চিত করেছে নগর প্রশাসন।
একাত্তর/আরবিএস