দুই-একটি জায়গায় বিচ্ছিন্ন কিছু ঘটনা ছাড়া ষষ্ঠ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের প্রথম ধাপে ১৩৯ উপজেলায় শান্তিপূর্ণভাবে ভোটগ্রহণ শেষ হয়েছে। এখন চলছে গণনা। এই ধাপে ২২টি উপজেলায় ইভিএমে এবং ১১৭টিতে ব্যালটে ভোট অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বুধবার সকাল আটটা থেকে শুরু হয়ে ভোটগ্রহণ চলে বিকেল চারটা পর্যন্ত। সকালে ভোটার উপস্থিতি কম থাকলেও বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে তা কিছুটা বাড়ে।
ভোটগ্রহণ চলাকালে বগুড়ার গাবতলীতে এজেন্টের কাছ থেকে ব্যালট পেপার কেড়ে সিল মারার ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় দুই সহকারী প্রিসাইডিং অফিসারকে দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। তবে এ ঘটনায় কাউকে আটক করা হয়নি। এদিন দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে উপজেলার সোনারায় উচ্চ বিদ্যালয় ভোটকেন্দ্রে এ ঘটনা ঘটে।
এ দিকে কুসুমকলি প্রাথমিক বিদ্যালয় ভোটকেন্দ্র থেকে ৯০০ জাল ভোটসহ ২ জনকে আটক করা হয়েছে।
অপরদিকে মাদারীপুরে মোস্তফাপুরের বালিয়ায় দুই চেয়ারম্যান প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এসময় কয়েকটি ককটেল বিস্ফোরণ ঘটানো হয়। এতে অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন। ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে চাঁপাইনবাবগঞ্জেও।
এছাড়া মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় উপজেলা নির্বাচন চলাকালীন এক সাংবাদিকের ওপর হামলার ঘটনা ঘটেছে। একই সঙ্গে সিরাজগঞ্জের একটি ভোট কেন্দ্রে এক ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) চেয়ারম্যানকে নগদ টাকাসহ আটক করেছে পুলিশ।
এদিকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত প্রায় ২০ শতাংশ ভোট পড়ার কথা ইসি জানালেও শেষ পর্যন্ত কত শতাংশ ভোট পড়েছে তা এখনও জানা যায়নি।
প্রথম ধাপের যে এলাকায় ভোট অনুষ্ঠিত হলো সেগুলো হলো- রাজশাহী, রংপুর, খুলনা, বরিশাল, ফরিদপুর, ঢাকা, ময়মনসিংহ, সিলেট, কুমিল্লা ও চট্টগ্রাম অঞ্চল।
এই ধাপে চেয়ারম্যান পদে ৫৭০, ভাইস চেয়ারম্যান ৬২৫ এবং মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৪৪০ জন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন।
ইতিমধ্যে চেয়ারম্যান পদে আট, ভাইস চেয়ারম্যান ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে ১০ জন করে অর্থাৎ ২৮ জন ইতিমধ্যে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বিজয়ী হয়েছেন।
২১ মে দ্বিতীয় ধাপে ১৬০টি উপজেলায়, ২৯ মে তৃতীয় ধাপে ১১০ উপজেলায় এবং পাঁচ জুন চতুর্থ ধাপে ৫০টির বেশি উপজেলায় ভোটগ্রহণ করা হবে।