৫৩ বছর পর মুক্তিযোদ্ধাদের হাতে বীর মুক্তিযোদ্ধা শব্দ খচিত স্মার্ট জাতীয় পরিচয়পত্র দিলো নির্বাচন কমিশন। ১০৪ জন মুক্তিযোদ্ধার হাতে এ কার্ড তুলে দিয়ে প্রধান নির্বাচন কমিশনার বলেন, দেশের এই বীরদের আরও আগেই সম্মানিত করা উচিত ছিলো।
দেরিতে হলেও অবশেষে জাতীয় পরিচয়পত্রে বীর মুক্তিযোদ্ধা লেখাসহ এনআইডি কার্ড হাতে পেলেন মুক্তিযোদ্ধারা। নির্বাচন কমিশনের দেয়া এই স্বীকৃতিতে খুশি মুক্তিযোদ্ধারা।
কার্ড নিতে এসে কমিশনকে ধন্যবাদ জানিয়ে মুক্তিযোদ্ধারা বলেন,জীবদ্দশায় এই স্বীকৃতি তাদের কাছে অমুল্য।
নির্বাচন কমিশনাররা বলেন, মুক্তিযুদ্ধ মন্ত্রণালয়ের সাথে কমিশনের ভুল বুঝাবুঝির কারণে এই কার্ড দিতে আড়াই বছর দেরি হয়েছে।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রধান নির্বাচন কমিশনার বলেন, মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মানিত করতে পেরে কমিশনও সম্মানিত বোধ করছে।
কাজী হাবিবুল আউয়াল আরও বলেন, আপনাদের জাতীয় পরিচয়পত্রে বীর মুক্তিযোদ্ধা লেখা থাকবে এটা সত্যি আমাদের খুবই আনন্দ দিচ্ছে। আমাদের এই চেতনা ধারণ করতে হবে যে, মুক্তিযুদ্ধটাই শেষ নয়। যে চেতনা ও মূল্যবোধ নিয়ে দেশ ও মাতৃকার স্বাধীনতার যুদ্ধে ৩০ লাখ মানুষ শহীদ হয়েছেন, তাদের একটা প্রত্যাশা ছিলো। আমরা সেই প্রত্যাশার দিকে যেন এগিয়ে যেতে পারি।