সাবেক সেনাপ্রধান জেনারেল আজিজ আহমেদের দুই ভাই হারিছ আহমেদ ও তোফায়েল আহমেদ ওরফে জোসেফের জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) জালিয়াতির অভিযোগ তদন্তে সময় বাড়ানো হয়েছে।
এ ঘটনার প্রতিবেদন দিতে তদন্ত কমিটিকে আরও দুই সপ্তাহ সময় দেওয়া হয়েছে বলে বুধবার সাংবাদিকদের জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশন সচিব শফিউল আজিম।
তিনি বলেন, সাবেক সেনাপ্রধানের দুই ভাইয়ের এনআইডির বিষয়টি তদন্ত চলছে। এ ঘটনায় কমিশনের কেউ জড়িত থাকলে তাকেও ছাড় দেওয়া হবে না।
গত ১০ জুন হারিছ ও জোসেফের এনআইডি জালিয়াতির অভিযোগ খতিয়ে দেখতে তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করে ইসি। কমিটির প্রধান করা হয়েছে ইসির একজন যুগ্ম সচিবকে।
সম্প্রতি হারিছ ও জোসেফের এনআইডি জালিয়াতির অভিযোগ নিয়ে গণমাধ্যমে খবর প্রকাশের পর তদন্ত করার সিদ্ধান্ত নেয় ইসি।
প্রকাশিত খবরে বলা হয়, হারিছ আহমেদ ও তোফায়েল আহমেদ (জোসেফ) নিজেদের নামের পাশাপাশি বাবা-মায়ের নামও পরিবর্তন করেছেন।
হারিছ আহমেদ নাম পরিবর্তন করে হয়েছেন মোহাম্মদ হাসান। তোফায়েল আহমেদ ওরফে জোসেফ নাম পরিবর্তন করে হয়েছেন তানভীর আহমেদ তানজীল। এছাড়া তিনি তোফায়েল আহমেদ নামেও আরেকটি এনআইডি নিয়েছেন বলে খবর বেরিয়েছে।
এছাড়া মিথ্যা তথ্য দিয়ে দুই ভাই পাসপোর্ট করেছেন এবং সেনাপ্রধান থাকার সময় আজিজ আহমেদের ভাইদের ভুয়া তথ্যে জাতীয় পরিচয়পত্র ও পাসপোর্ট করানোর ক্ষেত্রে তাঁর প্রভাব খাটানোর বিষয়ে গণমাধ্যমে খবর প্রকাশিত হয়েছে।
তিন বছর সেনাপ্রধানের দায়িত্ব পালনের পর ২০২১ সালের জুনে অবসরে যান জেনারেল আজিজ আহমেদ। এর আগে চার বছর তিনি ছিলেন বাংলাদেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিজিবি) প্রধান। সম্প্রতি দুর্নীতিতে জড়িত থাকার অভিযোগে আজিজ আহমেদের ওপর নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।